
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির জন্য ছাড় দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুত ইরান। এ জন্য ওয়াশিংটনকে তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আলোচনায় আগ্রহী থাকতে হবে। তবে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় তেহরান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী মজিদ তাখত রাভানচি।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরান–আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্প্রতি পরমাণু চুক্তি নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকাটে আলোচনায় বসেছিল দুই দেশ। আগামীকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মজিদ তাখত। বিবিসিকে তিনি বলেন, প্রথম ধাপের আলোচনা কমবেশি ইতিবাচক দিকে এগিয়েছে। তবে কতটুকু সফল হয়েছে, তা বলার সময় আসেনি।
দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় যোগ দিতে সোমবার সকালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসবেন বলে গত শুক্রবার রয়টার্সকে জানিয়েছে একটি সূত্র। এ বৈঠকের মধ্যস্থতা করবে ওমানের একটি প্রতিনিধিদল। প্রথম বৈঠকের ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান ছিলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
গত সোমবার ইরানের পরমাণুপ্রধান বলেছিলেন, যদি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে রাজি হয়, তাহলে নিজেদের কাছে থাকা সবচেয়ে পরিশোধিত ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব কমাতে রাজি তারা। ইরান যে চুক্তির বিষয়ে নমনীয় অবস্থানে আছে, তা বোঝাতে বিবিসির কাছে পরমাণুপ্রধানের ওই বক্তব্য তুলে ধরেন মজিদ তাখত। তবে তিনি বলেন, তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বাদ দেবে না।
পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দিয়ে পরমাণু অস্ত্র বানাতে চায় ইরান। যদিও তেহরান তা বরাবরই নাকচ করে আসছে। এ নিয়ে ইরানের সঙ্গে পশ্চিমাদের একটি চুক্তি ছিল। তাতে বলা হয়েছিল, তেহরান নিজেদের পরমাণু প্রকল্প সীমিত করার বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে। তবে প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় বসে ২০১৫ সালে ওই চুক্তি থেকে সরে যান ট্রাম্প।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির জন্য ছাড় দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুত ইরান। এ জন্য ওয়াশিংটনকে তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আলোচনায় আগ্রহী থাকতে হবে। তবে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় তেহরান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী মজিদ তাখত রাভানচি।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরান–আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্প্রতি পরমাণু চুক্তি নিয়ে ওমানের রাজধানী মাসকাটে আলোচনায় বসেছিল দুই দেশ। আগামীকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মজিদ তাখত। বিবিসিকে তিনি বলেন, প্রথম ধাপের আলোচনা কমবেশি ইতিবাচক দিকে এগিয়েছে। তবে কতটুকু সফল হয়েছে, তা বলার সময় আসেনি।
দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় যোগ দিতে সোমবার সকালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসবেন বলে গত শুক্রবার রয়টার্সকে জানিয়েছে একটি সূত্র। এ বৈঠকের মধ্যস্থতা করবে ওমানের একটি প্রতিনিধিদল। প্রথম বৈঠকের ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান ছিলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
গত সোমবার ইরানের পরমাণুপ্রধান বলেছিলেন, যদি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে রাজি হয়, তাহলে নিজেদের কাছে থাকা সবচেয়ে পরিশোধিত ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব কমাতে রাজি তারা। ইরান যে চুক্তির বিষয়ে নমনীয় অবস্থানে আছে, তা বোঝাতে বিবিসির কাছে পরমাণুপ্রধানের ওই বক্তব্য তুলে ধরেন মজিদ তাখত। তবে তিনি বলেন, তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বাদ দেবে না।
পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দিয়ে পরমাণু অস্ত্র বানাতে চায় ইরান। যদিও তেহরান তা বরাবরই নাকচ করে আসছে। এ নিয়ে ইরানের সঙ্গে পশ্চিমাদের একটি চুক্তি ছিল। তাতে বলা হয়েছিল, তেহরান নিজেদের পরমাণু প্রকল্প সীমিত করার বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে। তবে প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় বসে ২০১৫ সালে ওই চুক্তি থেকে সরে যান ট্রাম্প।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।