
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে গাড়ি চালানোর সময় নিকাব বা বোরকা পরলে জরিমানা গুনতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, কুয়েতের নতুন আইনে গাড়ি চালানোর সময় বোরকা নিকাব পরলে ৩০ থেকে ৫০ কুয়েতি দিনার পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
কুয়েত সরকার জানায়, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা। কারণ গাড়ি চালানোর সময় নিকাব চালকের দৃষ্টিশক্তি এবং একাগ্রতায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে, যা সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।
কুয়েতে ১৯৮৪ সালে গাড়ি চালানোর সময় নিকাব বা বোরকা পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সম্প্রতি এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা হয়।
পরে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই ব্যবস্থাটি মূলত নিরাপত্তার কারণে প্রয়োগ করা হয়েছিল। কারণ মুখ ঢেকে রাখার ফলে পুলিশের পক্ষে চালকদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

কুয়েতে গাড়ি চালানোর সময় নিকাব বা বোরকা পরলে জরিমানা গুনতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, কুয়েতের নতুন আইনে গাড়ি চালানোর সময় বোরকা নিকাব পরলে ৩০ থেকে ৫০ কুয়েতি দিনার পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
কুয়েত সরকার জানায়, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা। কারণ গাড়ি চালানোর সময় নিকাব চালকের দৃষ্টিশক্তি এবং একাগ্রতায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে, যা সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।
কুয়েতে ১৯৮৪ সালে গাড়ি চালানোর সময় নিকাব বা বোরকা পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সম্প্রতি এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা হয়।
পরে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই ব্যবস্থাটি মূলত নিরাপত্তার কারণে প্রয়োগ করা হয়েছিল। কারণ মুখ ঢেকে রাখার ফলে পুলিশের পক্ষে চালকদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।