
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৮০ বাংলাদেশিসহ ৯৯ বিদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। নিরাপত্তা যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হতে না পারায় তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশে অনুমতি দেওয়া হয়নি।
খবর মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি বারনামার।
গতকাল শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১-এ পরিচালিত ৭ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে ৪০০ জনের বেশি যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে মালয়েশিয়ার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থা (একেপিএস)। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ফ্লাইটের যাত্রীদের লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
আজ এক বিবৃতিতে সংস্থার করপোরেট কমিউনিকেশন ইউনিট জানায়, ‘প্রবেশে বাধাপ্রাপ্তদের সবাই পুরুষ। তাঁদের মধ্যে ৮০ জন বাংলাদেশি, ১০ জন ভারতীয় এবং ৯ জন পাকিস্তানি নাগরিক। ভ্রমণের কারণ সন্দেহজনক ও অতীত ভ্রমণ রেকর্ডে অসংগতি থাকায় তাদের অভিবাসন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে দেওয়া হয়নি।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাদের ভ্রমণ নথি, ব্যক্তিগত পটভূমি ও উদ্দেশ্য যাচাই করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।’
একেপিএস জানিয়েছে, মানবপাচার ও সোশ্যাল ভিজিট পাসের অপব্যবহার ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে। সংস্থাটি মানবপাচারের বিরুদ্ধে সক্রিয় পদক্ষেপ ও প্রতিরোধমূলক কৌশল হিসেবে এই উদ্যোগকে জোরদার করার কথা বলেছে।
আরও পড়ুন

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৮০ বাংলাদেশিসহ ৯৯ বিদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। নিরাপত্তা যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হতে না পারায় তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশে অনুমতি দেওয়া হয়নি।
খবর মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি বারনামার।
গতকাল শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১-এ পরিচালিত ৭ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে ৪০০ জনের বেশি যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে মালয়েশিয়ার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থা (একেপিএস)। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ফ্লাইটের যাত্রীদের লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
আজ এক বিবৃতিতে সংস্থার করপোরেট কমিউনিকেশন ইউনিট জানায়, ‘প্রবেশে বাধাপ্রাপ্তদের সবাই পুরুষ। তাঁদের মধ্যে ৮০ জন বাংলাদেশি, ১০ জন ভারতীয় এবং ৯ জন পাকিস্তানি নাগরিক। ভ্রমণের কারণ সন্দেহজনক ও অতীত ভ্রমণ রেকর্ডে অসংগতি থাকায় তাদের অভিবাসন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে দেওয়া হয়নি।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাদের ভ্রমণ নথি, ব্যক্তিগত পটভূমি ও উদ্দেশ্য যাচাই করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।’
একেপিএস জানিয়েছে, মানবপাচার ও সোশ্যাল ভিজিট পাসের অপব্যবহার ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে। সংস্থাটি মানবপাচারের বিরুদ্ধে সক্রিয় পদক্ষেপ ও প্রতিরোধমূলক কৌশল হিসেবে এই উদ্যোগকে জোরদার করার কথা বলেছে।
আরও পড়ুন
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।