

বিডিজেন ডেস্ক

ইয়েমেন উপকূলে নৌকাডুবিতে কমপক্ষে ৬৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। নৌকাটিতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিল।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রোববার খারাপ আবহাওয়ার কারণে নৌকাটি ডুবে যায়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ইয়েমেন প্রধান আবদুসাত্তার এসোয়েভের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় আবিয়ান প্রদেশের কাছে নৌকাটি ডুবে যায় এবং ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ১২ জনকে উদ্ধার করা হলেও অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
হতাহতদের বেশির ভাগই ইথিওপিয়ার নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আফ্রিকা থেকে কাজের সন্ধানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে যেতে অভিবাসীদের জন্য ইয়েমেন গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আইওএম জানিয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বহু অভিবাসী নৌকাডুবিতে প্রাণ হারিয়েছে বা নিখোঁজ হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় খানফার জেলায় ৫৪ জন অভিবাসীর মরদেহ উপকূলে পাওয়া গেছে এবং আরও ১৪টি মরদেহ জিনজিবারের একটি হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ইয়েমেন উপকূলে নৌকাডুবিতে কমপক্ষে ৬৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। নৌকাটিতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিল।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রোববার খারাপ আবহাওয়ার কারণে নৌকাটি ডুবে যায়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ইয়েমেন প্রধান আবদুসাত্তার এসোয়েভের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় আবিয়ান প্রদেশের কাছে নৌকাটি ডুবে যায় এবং ৬৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ১২ জনকে উদ্ধার করা হলেও অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
হতাহতদের বেশির ভাগই ইথিওপিয়ার নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আফ্রিকা থেকে কাজের সন্ধানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে যেতে অভিবাসীদের জন্য ইয়েমেন গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আইওএম জানিয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বহু অভিবাসী নৌকাডুবিতে প্রাণ হারিয়েছে বা নিখোঁজ হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় খানফার জেলায় ৫৪ জন অভিবাসীর মরদেহ উপকূলে পাওয়া গেছে এবং আরও ১৪টি মরদেহ জিনজিবারের একটি হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।