
বিডিজেন ডেস্ক

লোহিত সাগরের তীরঘেঁষে গড়ে উঠেছে সৌদি আরবের এক আধুনিক স্বপ্ননগরী—কিং আবদুল্লাহ ইকোনমিক সিটি (কেএইসি)। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রযুক্তি, পর্যটন এবং বাণিজ্যনির্ভর এক নতুন অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তুলতে এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে দেশটি। ১০০ বিলিয়ন (ইউএস) ডলারের এই বিশাল প্রকল্পটি দেশটির ভিশন ২০৩০-এর অন্যতম মাইলফলক।
বিশ্বসেরা বন্দর, আধুনিক স্মার্ট সিটি পরিকল্পনা, বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্র এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পাঞ্চল নিয়ে গঠিত এই মেগা-প্রকল্প ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক নজর কাড়ছে।
কেএইসির অবস্থানগত গুরুত্ব অপরিসীম। ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা ঘিরে গড়ে তোলা এই শহরটি শুধু সৌদি আরব নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে পারে। এখানেই গড়ে উঠেছে কিং আবদুল্লাহ বন্দর, যা ২০২২ সালে বিশ্বব্যাংকের র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ বন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বিশাল কনটেইনার জাহাজ চলাচলের উপযোগী এই বন্দর বিশ্ব বাণিজ্যে সৌদি অংশগ্রহণকে আরও জোরদার করেছে।
এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক হাব নয়, বরং একেবারে ভিন্নমাত্রার স্মার্ট সিটি। আধুনিক নগর পরিকল্পনার আওতায় এখানে রয়েছে ফ্রি ইকোনমিক জোন, টেকনোলজি হাব এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার। শহরটির নকশা তৈরি করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব বিবেচনায় রেখে।
কেএইসিতে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে নানান আকর্ষণ। ‘বেই লা সান মেরিনা ও ইয়ট ক্লাব’ বিলাসবহুল খাবার ও নৌভ্রমণের এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা দেয়। পাশাপাশি রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের গলফ কোর্স, যেখানে লাল সাগরের দৃশ্যপটে খেলোয়াড়েরা উপভোগ করতে পারেন চ্যাম্পিয়নশিপ-গ্রেডের গেম। দ্য বিচ কর্নিশ-এর মতো উপকূলীয় রিসোর্ট এলাকাগুলো পর্যটকদের জন্য স্বর্গতুল্য—সূর্যস্নান, জেট স্কি কিংবা ডাইভিং— সবই এখানে সম্ভব।
শুধু ভ্রমণ বা বাণিজ্য নয়, কেএইসি একটি শিল্প ও প্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে উঠছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভ্যালি ইতিমধ্যেই সরবরাহ চেইন, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং লজিস্টিক খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইসঙ্গে এখানে অবস্থিত কিং আবদুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কেএইউএসটি) গবেষণা ও উদ্ভাবনে একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।
কেএইসি ভবিষ্যতের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে যাচ্ছে নিওম (এনইওএম) প্রকল্পের মাধ্যমে, যা সৌদির আরেক উচ্চাভিলাষী প্রযুক্তি-নগর। এই সংযুক্তির ফলে কেএইসি হবে একটি বৈশ্বিক সংযোগস্থল—যেখানে শিক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং জীবনযাত্রা মিলেমিশে এক অনন্য রূপ লাভ করবে।
এই প্রকল্প শুধু সৌদি আরব নয়, গোটা অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবনধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা তৈরি করছে। কেএইসি-এর উন্নয়ন নিঃসন্দেহে এক নজিরবিহীন মাইলফলক, যা আধুনিক নগরায়ণের নতুন সংজ্ঞা দিচ্ছে।

লোহিত সাগরের তীরঘেঁষে গড়ে উঠেছে সৌদি আরবের এক আধুনিক স্বপ্ননগরী—কিং আবদুল্লাহ ইকোনমিক সিটি (কেএইসি)। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রযুক্তি, পর্যটন এবং বাণিজ্যনির্ভর এক নতুন অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তুলতে এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে দেশটি। ১০০ বিলিয়ন (ইউএস) ডলারের এই বিশাল প্রকল্পটি দেশটির ভিশন ২০৩০-এর অন্যতম মাইলফলক।
বিশ্বসেরা বন্দর, আধুনিক স্মার্ট সিটি পরিকল্পনা, বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্র এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পাঞ্চল নিয়ে গঠিত এই মেগা-প্রকল্প ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক নজর কাড়ছে।
কেএইসির অবস্থানগত গুরুত্ব অপরিসীম। ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা ঘিরে গড়ে তোলা এই শহরটি শুধু সৌদি আরব নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে পারে। এখানেই গড়ে উঠেছে কিং আবদুল্লাহ বন্দর, যা ২০২২ সালে বিশ্বব্যাংকের র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ বন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বিশাল কনটেইনার জাহাজ চলাচলের উপযোগী এই বন্দর বিশ্ব বাণিজ্যে সৌদি অংশগ্রহণকে আরও জোরদার করেছে।
এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক হাব নয়, বরং একেবারে ভিন্নমাত্রার স্মার্ট সিটি। আধুনিক নগর পরিকল্পনার আওতায় এখানে রয়েছে ফ্রি ইকোনমিক জোন, টেকনোলজি হাব এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার। শহরটির নকশা তৈরি করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব বিবেচনায় রেখে।
কেএইসিতে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে নানান আকর্ষণ। ‘বেই লা সান মেরিনা ও ইয়ট ক্লাব’ বিলাসবহুল খাবার ও নৌভ্রমণের এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা দেয়। পাশাপাশি রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের গলফ কোর্স, যেখানে লাল সাগরের দৃশ্যপটে খেলোয়াড়েরা উপভোগ করতে পারেন চ্যাম্পিয়নশিপ-গ্রেডের গেম। দ্য বিচ কর্নিশ-এর মতো উপকূলীয় রিসোর্ট এলাকাগুলো পর্যটকদের জন্য স্বর্গতুল্য—সূর্যস্নান, জেট স্কি কিংবা ডাইভিং— সবই এখানে সম্ভব।
শুধু ভ্রমণ বা বাণিজ্য নয়, কেএইসি একটি শিল্প ও প্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে উঠছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভ্যালি ইতিমধ্যেই সরবরাহ চেইন, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং লজিস্টিক খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইসঙ্গে এখানে অবস্থিত কিং আবদুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কেএইউএসটি) গবেষণা ও উদ্ভাবনে একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।
কেএইসি ভবিষ্যতের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হতে যাচ্ছে নিওম (এনইওএম) প্রকল্পের মাধ্যমে, যা সৌদির আরেক উচ্চাভিলাষী প্রযুক্তি-নগর। এই সংযুক্তির ফলে কেএইসি হবে একটি বৈশ্বিক সংযোগস্থল—যেখানে শিক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং জীবনযাত্রা মিলেমিশে এক অনন্য রূপ লাভ করবে।
এই প্রকল্প শুধু সৌদি আরব নয়, গোটা অঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবনধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা তৈরি করছে। কেএইসি-এর উন্নয়ন নিঃসন্দেহে এক নজিরবিহীন মাইলফলক, যা আধুনিক নগরায়ণের নতুন সংজ্ঞা দিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।