
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের মক্কা নগরীর পবিত্র মসজিদুল হারামে গত বৃহস্পতিবার রেকর্ড সংখ্যক মুসল্লি ওমরাহ পালন করেছেন। ওই দিন ৫ লাখ মুসল্লি মসজিদটিতে প্রবেশ করেছেন।
মসজিদে নববী ও গ্র্যান্ড মসজিদের জেনারেল প্রেসিডেন্সি এ তথ্য জানিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক গালফ নিউজ জানায়, ক্রমবর্ধমান দর্শনার্থীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে, কর্তৃপক্ষ ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করেছে। যার মধ্যে রয়েছে এআই-পরিচালিত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং স্মার্ট ক্যামেরা।
মূল প্রবেশপথের সেন্সর রিডারগুলো রিয়েল-টাইম উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে, যা যানজট কমাতে তাৎক্ষণিক সমন্বয় করে।
এছাড়া পবিত্র রমজান মাসে গ্র্যান্ড মসজিদে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মক্কার নিরাপত্তা টহলবাহিনী ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সহযোগিতায় কর্মকর্তারা বিশাল জনসমাগম পরিচালনা, বয়স্কদের সহায়তা, শিশুদের সুরক্ষা ও হারিয়ে যাওয়া দর্শনার্থীদের সাহায্য করছেন।
অতিরিক্ত সওয়াবের আশায় বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিমই ওমরাহ পালনের জন্য রমজান মাসকে বেছে নেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারের রমজান মাসে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ওমরাহ পালন করবেন।

সৌদি আরবের মক্কা নগরীর পবিত্র মসজিদুল হারামে গত বৃহস্পতিবার রেকর্ড সংখ্যক মুসল্লি ওমরাহ পালন করেছেন। ওই দিন ৫ লাখ মুসল্লি মসজিদটিতে প্রবেশ করেছেন।
মসজিদে নববী ও গ্র্যান্ড মসজিদের জেনারেল প্রেসিডেন্সি এ তথ্য জানিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক গালফ নিউজ জানায়, ক্রমবর্ধমান দর্শনার্থীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে, কর্তৃপক্ষ ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করেছে। যার মধ্যে রয়েছে এআই-পরিচালিত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং স্মার্ট ক্যামেরা।
মূল প্রবেশপথের সেন্সর রিডারগুলো রিয়েল-টাইম উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে, যা যানজট কমাতে তাৎক্ষণিক সমন্বয় করে।
এছাড়া পবিত্র রমজান মাসে গ্র্যান্ড মসজিদে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মক্কার নিরাপত্তা টহলবাহিনী ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সহযোগিতায় কর্মকর্তারা বিশাল জনসমাগম পরিচালনা, বয়স্কদের সহায়তা, শিশুদের সুরক্ষা ও হারিয়ে যাওয়া দর্শনার্থীদের সাহায্য করছেন।
অতিরিক্ত সওয়াবের আশায় বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিমই ওমরাহ পালনের জন্য রমজান মাসকে বেছে নেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারের রমজান মাসে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ওমরাহ পালন করবেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।