
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন ওড়ানোর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে এ জন্য দেশটির জেনারেল সিভিল এভিয়েশন অথরিটির (জিসিএএ) অনুমোদন লাগবে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, জিসিএএর অনুমোদন পেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দা ও নাগরিকরা ড্রোন ওড়াতে পারবেন। এ জন্য তাদের ড্রোন পাইলট সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের এই ওয়েবসাইটে গিয়ে ড্রোন ওড়ানোর জন্য অ্যাকাউন্ট করতে হবে। এরপর সেখান থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এর আগে জিসিএএ স্বীকৃত সেন্টার থেকে একটি ট্রেনিং সার্টিফিকেট নিতে হবে। এই সার্টিফিকেটটি ড্রোন অপারেটর হিসাবে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ড্রোন অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে সাইন আপ করার জন্য প্রয়োজনীয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি এবং বিমানবন্দর, হেলিপোর্ট ও নিয়ন্ত্রিত এলাকার ৫ কিলোমিটারের মধ্যে ড্রোন ওড়ানো যাবে না।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন ওড়ানোর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে এ জন্য দেশটির জেনারেল সিভিল এভিয়েশন অথরিটির (জিসিএএ) অনুমোদন লাগবে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, জিসিএএর অনুমোদন পেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দা ও নাগরিকরা ড্রোন ওড়াতে পারবেন। এ জন্য তাদের ড্রোন পাইলট সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের এই ওয়েবসাইটে গিয়ে ড্রোন ওড়ানোর জন্য অ্যাকাউন্ট করতে হবে। এরপর সেখান থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এর আগে জিসিএএ স্বীকৃত সেন্টার থেকে একটি ট্রেনিং সার্টিফিকেট নিতে হবে। এই সার্টিফিকেটটি ড্রোন অপারেটর হিসাবে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ড্রোন অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে সাইন আপ করার জন্য প্রয়োজনীয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি এবং বিমানবন্দর, হেলিপোর্ট ও নিয়ন্ত্রিত এলাকার ৫ কিলোমিটারের মধ্যে ড্রোন ওড়ানো যাবে না।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।