
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্যিক কর্তৃপক্ষ এবং ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগের খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে বিভিন্ন স্থানের খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস কুয়েত জানায়, শুওয়াইখ শিল্প এলাকায় খাদ্য গুদামগুলো পরিদর্শন সফরের সময় কুয়েতের ভোক্তা সুরক্ষা পরিচালক ফয়সাল আল-আনসারি বলেছেন, ভোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ পর্যাপ্তভাবে মজুত করা হয়েছে।
আল-আনসারি আরও জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা শুওয়াইখের পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেছেন,
যা খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেখানে, তারা খাদ্য কোম্পানির মালিকদের কাছ থেকে মূল্য নির্ধারণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন।
এদিকে কুয়েতের বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগের যৌথ কমিটির দলের প্রধান মুহাম্মদ আল-মুতাইরি দেশের খাদ্য পণ্যের কৌশলগত মজুতের নিরাপত্তা এবং প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন।

কুয়েতে পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাণিজ্যিক কর্তৃপক্ষ এবং ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগের খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে বিভিন্ন স্থানের খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস কুয়েত জানায়, শুওয়াইখ শিল্প এলাকায় খাদ্য গুদামগুলো পরিদর্শন সফরের সময় কুয়েতের ভোক্তা সুরক্ষা পরিচালক ফয়সাল আল-আনসারি বলেছেন, ভোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ পর্যাপ্তভাবে মজুত করা হয়েছে।
আল-আনসারি আরও জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা শুওয়াইখের পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেছেন,
যা খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেখানে, তারা খাদ্য কোম্পানির মালিকদের কাছ থেকে মূল্য নির্ধারণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন।
এদিকে কুয়েতের বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা সুরক্ষা বিভাগের যৌথ কমিটির দলের প্রধান মুহাম্মদ আল-মুতাইরি দেশের খাদ্য পণ্যের কৌশলগত মজুতের নিরাপত্তা এবং প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।