
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসী কর্মীদের অধিকার রক্ষায় সৌদি আরবে নতুন বিমা স্কিম চালু হয়েছে। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিমা কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে এ স্কিমটি চালু হলো।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ৬ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া এই স্কিমটির লক্ষ্য হলো নিয়োগকর্তারা মজুরি পরিশোধে ব্যর্থ হলে শ্রমিকদের আর্থিক সমস্যা কমানো।
নতুন এই স্কিমে নিয়োগকর্তারা মজুরি বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে অক্ষম হলে, বিমা কোম্পানিগুলো তাদের পলিসিতে বর্ণিত শর্তাবলী এবং সুবিধাগুলোর ওপর ভিত্তি করে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।
প্রবাসী শ্রমিকরা যারা নিজ দেশে ফিরতে ইচ্ছুক তাদের জন্য টিকিটের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে সৌদির নতুন এই স্কিমে ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগটি সৌদির শ্রমিক ও নিয়োগকর্তা উভয়ের অধিকার রক্ষা করে দেশের শ্রমবাজারকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

প্রবাসী কর্মীদের অধিকার রক্ষায় সৌদি আরবে নতুন বিমা স্কিম চালু হয়েছে। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিমা কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে এ স্কিমটি চালু হলো।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ৬ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া এই স্কিমটির লক্ষ্য হলো নিয়োগকর্তারা মজুরি পরিশোধে ব্যর্থ হলে শ্রমিকদের আর্থিক সমস্যা কমানো।
নতুন এই স্কিমে নিয়োগকর্তারা মজুরি বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে অক্ষম হলে, বিমা কোম্পানিগুলো তাদের পলিসিতে বর্ণিত শর্তাবলী এবং সুবিধাগুলোর ওপর ভিত্তি করে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।
প্রবাসী শ্রমিকরা যারা নিজ দেশে ফিরতে ইচ্ছুক তাদের জন্য টিকিটের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে সৌদির নতুন এই স্কিমে ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগটি সৌদির শ্রমিক ও নিয়োগকর্তা উভয়ের অধিকার রক্ষা করে দেশের শ্রমবাজারকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।