
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের তুরাইফ অঞ্চলে দেশটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ওই অঞ্চলটির তাপমাত্রা মাইনাস দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে।
সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পুরো রাজ্যজুড়ে চলা শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, উত্তরাঞ্চলে বরফ জমার সম্ভাবনা রয়েছে এবং তীব্র ঠান্ডা আবহাওয়া দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তুরাইফে একটি শক্তিশালী ঠান্ডা বায়ুমণ্ডলীয় প্রবাহ সক্রিয় রয়েছে। এর ফলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে। শূন্য থেকে মাইনাস তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে এই তাপমাত্রা।
সৌদি আরবে এমন তীব্র ঠান্ডা সাধারণত বিরল। যেসব অঞ্চলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, সেসব এলাকার বাসিন্দাদের প্রতিকূল আবহাওয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়েছে, দেশের সবচেয়ে বড় পূর্ব প্রদেশের দক্ষিণ অংশে ঘন কুয়াশার কারণে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

সৌদি আরবের উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের তুরাইফ অঞ্চলে দেশটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ওই অঞ্চলটির তাপমাত্রা মাইনাস দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে।
সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পুরো রাজ্যজুড়ে চলা শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, উত্তরাঞ্চলে বরফ জমার সম্ভাবনা রয়েছে এবং তীব্র ঠান্ডা আবহাওয়া দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তুরাইফে একটি শক্তিশালী ঠান্ডা বায়ুমণ্ডলীয় প্রবাহ সক্রিয় রয়েছে। এর ফলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে। শূন্য থেকে মাইনাস তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে এই তাপমাত্রা।
সৌদি আরবে এমন তীব্র ঠান্ডা সাধারণত বিরল। যেসব অঞ্চলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, সেসব এলাকার বাসিন্দাদের প্রতিকূল আবহাওয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়েছে, দেশের সবচেয়ে বড় পূর্ব প্রদেশের দক্ষিণ অংশে ঘন কুয়াশার কারণে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।