
বিডিজেন ডেস্ক

ওমানের নর্থ আল বাতিনাহ গভর্নরেটে গত অক্টোবরে অভিযান চালিয়ে ৬৫০ জন অবৈধ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ওমান।
ওমান সরকার জানায়, শ্রম অধিদপ্তরের নেতৃত্বে যৌথ পরিদর্শন দল নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় গত অক্টোবরে নর্থ আল বাতিনাহ গভর্নরেটে অভিযান চালায়। এতে বিভিন্ন অভিযোগে ৬৫৮ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৪২৫ জনকে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া নিয়োগ দেওয়ার অনুমোদন নেই এমন প্রতিষ্ঠানে কাজ করায় ৬২ জনকে, ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করায় ১০৬ জনকে, অনুমতি ছাড়া নিজ উদ্যোগে কাজ করায় ৫৯ জনকে ও শ্রম আইন লঙ্ঘন করায় ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওমান আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বের একটি দেশ। ওমানের জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের শেষে দেশটিতে বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ১৯ হাজার ১১১ জন। যা চলতি বছরের মে মাসের পর কমে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ১০৮ জনে।

ওমানের নর্থ আল বাতিনাহ গভর্নরেটে গত অক্টোবরে অভিযান চালিয়ে ৬৫০ জন অবৈধ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ওমান।
ওমান সরকার জানায়, শ্রম অধিদপ্তরের নেতৃত্বে যৌথ পরিদর্শন দল নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় গত অক্টোবরে নর্থ আল বাতিনাহ গভর্নরেটে অভিযান চালায়। এতে বিভিন্ন অভিযোগে ৬৫৮ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৪২৫ জনকে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া নিয়োগ দেওয়ার অনুমোদন নেই এমন প্রতিষ্ঠানে কাজ করায় ৬২ জনকে, ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করায় ১০৬ জনকে, অনুমতি ছাড়া নিজ উদ্যোগে কাজ করায় ৫৯ জনকে ও শ্রম আইন লঙ্ঘন করায় ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওমান আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বের একটি দেশ। ওমানের জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের শেষে দেশটিতে বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ১৯ হাজার ১১১ জন। যা চলতি বছরের মে মাসের পর কমে দাঁড়িয়েছে ৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ১০৮ জনে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।