
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে খরা। এমন পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে আগামী শনিবার বৃষ্টি প্রার্থনা করে ইসতিসকার নামাজ আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সব মসজিদে স্থানীয় সময় ৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় এ নামাজ আদায় করা হবে।
ইসতিসকা শব্দের অর্থ পানি প্রার্থনা করা বা বৃষ্টির জন্য দোয়া করা। যখন অনাবৃষ্টির কারণে দাবদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে; নদী-খাল-জলাশয় শুকিয়ে যায়; মাঠে ফসলের ক্ষতি হয়; গাছপালা, উদ্ভিদ ও তৃণলতা জীর্ণ হয়ে যায়, জীবজন্তু ও পশুপাখির কষ্টের সীমা থাকে না; এমন বিপর্যয় থেকে রেহাই পেতে তখন আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হয়।
অতীত গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে আকুতিভরে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা জানানোকে ইসতিসকা বলা হয়। এই নামাজকে ইসতিসকার নামাজ বলে।
পরপর তিন দিন ইসতিসকার নামাজ পড়া সুন্নত। যদি এরমধ্যে বৃষ্টি হয়েও যায়, তবু তিন দিন করা উত্তম। এই তিন দিন নফল রোজা রাখা মুস্তাহাব।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে খরা। এমন পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে আগামী শনিবার বৃষ্টি প্রার্থনা করে ইসতিসকার নামাজ আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সব মসজিদে স্থানীয় সময় ৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় এ নামাজ আদায় করা হবে।
ইসতিসকা শব্দের অর্থ পানি প্রার্থনা করা বা বৃষ্টির জন্য দোয়া করা। যখন অনাবৃষ্টির কারণে দাবদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে; নদী-খাল-জলাশয় শুকিয়ে যায়; মাঠে ফসলের ক্ষতি হয়; গাছপালা, উদ্ভিদ ও তৃণলতা জীর্ণ হয়ে যায়, জীবজন্তু ও পশুপাখির কষ্টের সীমা থাকে না; এমন বিপর্যয় থেকে রেহাই পেতে তখন আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হয়।
অতীত গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে আকুতিভরে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা জানানোকে ইসতিসকা বলা হয়। এই নামাজকে ইসতিসকার নামাজ বলে।
পরপর তিন দিন ইসতিসকার নামাজ পড়া সুন্নত। যদি এরমধ্যে বৃষ্টি হয়েও যায়, তবু তিন দিন করা উত্তম। এই তিন দিন নফল রোজা রাখা মুস্তাহাব।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।