
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরব সরকার ২৬ ডিসেম্বর (২০২৪) থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৯ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।
রিয়াদ থেকে কার্তা সংস্থা এএফপি আজ রোববার এই খবর জানিয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) শনিবার প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে এএফপি'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর যৌথ অভিযানে এসব অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এএফপি'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আবাসিক আইন লঙ্ঘন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১১ হাজার ৪০২ জনকে আবাসিক আইন লঙ্ঘন, ৪ হাজার ৭৭৫ জনকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম ও ৩ হাজার ৩৬৪ জনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়াও, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের অভিযোগে ৯৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৮ শতাংশ ইথিওপিয়ান, ৪০ শতাংশ ইয়েমেনি ও ২ শতাংশ অন্য দেশের নাগরিক।
এদিকে সৌদি আরব থেকে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় ১২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবহন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কেউ যদি কাউকে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশে সহযোগিতা করে এবং কাউকে পরিবহন সুবিধা ও আশ্রয় দেয়, তাহলে তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। একইসঙ্গে তার সম্পত্তি এবং যানবাহনও বাজেয়াপ্ত করা হবে।

সৌদি আরব সরকার ২৬ ডিসেম্বর (২০২৪) থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৯ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।
রিয়াদ থেকে কার্তা সংস্থা এএফপি আজ রোববার এই খবর জানিয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) শনিবার প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে এএফপি'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর যৌথ অভিযানে এসব অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এএফপি'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আবাসিক আইন লঙ্ঘন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১১ হাজার ৪০২ জনকে আবাসিক আইন লঙ্ঘন, ৪ হাজার ৭৭৫ জনকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম ও ৩ হাজার ৩৬৪ জনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়াও, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের অভিযোগে ৯৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৮ শতাংশ ইথিওপিয়ান, ৪০ শতাংশ ইয়েমেনি ও ২ শতাংশ অন্য দেশের নাগরিক।
এদিকে সৌদি আরব থেকে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় ১২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবহন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কেউ যদি কাউকে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশে সহযোগিতা করে এবং কাউকে পরিবহন সুবিধা ও আশ্রয় দেয়, তাহলে তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। একইসঙ্গে তার সম্পত্তি এবং যানবাহনও বাজেয়াপ্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।