
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে চান এবং তাদের নেতৃত্বের কাছে এ মর্মে চিঠি পাঠিয়েছেন যে তিনি আশা করেন এই ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটি আলোচনা করতে সম্মত হবে। দেশটি দীর্ঘ দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরায়েলের ঘোর শত্রু।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
শুক্রবার (৭ মার্চ( ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলেছি, আমি আশা করি আপনারা আলোচনা করবেন, কারণ সেটা ইরানের জন্য অনেক ভালো হবে। আমার মনে হয় তারা সেই চিঠি পেতে চায়। অন্য বিকল্পটি হচ্ছে আমাদের কিছু একটা করতে হবে। কারণ আরেকটি পরমাণু অস্ত্র তৈরি হোক, সেটা আপনি হতে দিতে পারেন না।’
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ট্রাম্পের বক্তব্য সম্পর্কে মন্তব্যের অনুরোধ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। ইরানে বর্তমানে সপ্তাহান্তের ছুটি চলছে।
মনে করা হচ্ছে চিঠিটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে উদ্দেশ করে লেখা। এ সম্পর্কে অনুরোধ করা হলে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে এর কোনো জবাব দেয়নি।
ট্রাম্প বলেন, “ইরানের বিষয়টি দুইভাবে নিস্পত্তি করা যায়: সামরিকভাবে, অথবা আপনি চুক্তি করতে পারেন। আমি চুক্তি করাটাই পছন্দ করব কারণ আমি ইরানকে আঘাত করতে চাই না। তারা মহৎ জনগোষ্ঠী”।
জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছেন, ইউক্রেনে মস্কোর ৩ বছরব্যাপী যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটাতে মধ্যস্থতা করার প্রচেষ্টায় রাশিয়ার প্রতি আরও বেশি আপোষকামী অবস্থান নিয়েছেন যা পশ্চিমের মিত্রদের উদ্বিগ্ন করছে।
২০১৮ সালে, হোয়াইট হাউসে তাঁর প্রথম মেয়াদের এক বছরের ভেতরেই তিনি ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন। এই চুক্তি ছিল ইরানকে পারমানবিক অস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত রাখতে একটি বহুজাতিক চুক্তি।
তিনি বলেন ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পাদন করতে চান যা দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত রাখবে।
এই আলোচনা সম্পর্কে অবহিত একটি সুত্র মঙ্গলবার রয়টার্সকে বলেছে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ব্যাপারে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছে। তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার একটি শান্তিপূর্ণ নিস্পত্তি করতে ক্রেমলিন যতটা সম্ভব তার সবটুকু করার সংকল্প ব্যক্ত করেছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার বলেছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে পরিস্থিতির সমাধান করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা সম্পর্কে ইরানি রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালির সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে চান এবং তাদের নেতৃত্বের কাছে এ মর্মে চিঠি পাঠিয়েছেন যে তিনি আশা করেন এই ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটি আলোচনা করতে সম্মত হবে। দেশটি দীর্ঘ দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরায়েলের ঘোর শত্রু।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
শুক্রবার (৭ মার্চ( ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলেছি, আমি আশা করি আপনারা আলোচনা করবেন, কারণ সেটা ইরানের জন্য অনেক ভালো হবে। আমার মনে হয় তারা সেই চিঠি পেতে চায়। অন্য বিকল্পটি হচ্ছে আমাদের কিছু একটা করতে হবে। কারণ আরেকটি পরমাণু অস্ত্র তৈরি হোক, সেটা আপনি হতে দিতে পারেন না।’
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ট্রাম্পের বক্তব্য সম্পর্কে মন্তব্যের অনুরোধ করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। ইরানে বর্তমানে সপ্তাহান্তের ছুটি চলছে।
মনে করা হচ্ছে চিঠিটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে উদ্দেশ করে লেখা। এ সম্পর্কে অনুরোধ করা হলে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে এর কোনো জবাব দেয়নি।
ট্রাম্প বলেন, “ইরানের বিষয়টি দুইভাবে নিস্পত্তি করা যায়: সামরিকভাবে, অথবা আপনি চুক্তি করতে পারেন। আমি চুক্তি করাটাই পছন্দ করব কারণ আমি ইরানকে আঘাত করতে চাই না। তারা মহৎ জনগোষ্ঠী”।
জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছেন, ইউক্রেনে মস্কোর ৩ বছরব্যাপী যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটাতে মধ্যস্থতা করার প্রচেষ্টায় রাশিয়ার প্রতি আরও বেশি আপোষকামী অবস্থান নিয়েছেন যা পশ্চিমের মিত্রদের উদ্বিগ্ন করছে।
২০১৮ সালে, হোয়াইট হাউসে তাঁর প্রথম মেয়াদের এক বছরের ভেতরেই তিনি ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন। এই চুক্তি ছিল ইরানকে পারমানবিক অস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত রাখতে একটি বহুজাতিক চুক্তি।
তিনি বলেন ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পাদন করতে চান যা দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত রাখবে।
এই আলোচনা সম্পর্কে অবহিত একটি সুত্র মঙ্গলবার রয়টার্সকে বলেছে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ব্যাপারে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছে। তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার একটি শান্তিপূর্ণ নিস্পত্তি করতে ক্রেমলিন যতটা সম্ভব তার সবটুকু করার সংকল্প ব্যক্ত করেছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার বলেছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে পরিস্থিতির সমাধান করতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা সম্পর্কে ইরানি রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালির সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।