
বিডিজেন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখন্ডে এক বছরের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ১ হাজারের বেশি চিকিৎসক ও নার্স নিহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা নিউজের বরাতে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের তথ্যের ভিত্তিতে এ খবর দিয়েছে ওয়াফা নিউজ।
সূত্র জানিয়েছে, হতাহতের পাশাপাশি গাজায় ৩১০ জনের বেশি স্বাস্থ্যসেবাকর্মীকে গ্রেপ্তার, নির্যাতন কিংবা কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবাকর্মীরা বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে হাসপাতালগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা গাজায় ওষুধ-চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহে বাধা দিয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিনিধি ও সার্জনদের প্রবেশে বাধা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। সেদিন থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী, যা এখনো চলছে।
এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই নির্বিচার হামলায় গাজায় নারী-শিশুসহ ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হওয়ার সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখন্ডে এক বছরের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ১ হাজারের বেশি চিকিৎসক ও নার্স নিহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা নিউজের বরাতে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের তথ্যের ভিত্তিতে এ খবর দিয়েছে ওয়াফা নিউজ।
সূত্র জানিয়েছে, হতাহতের পাশাপাশি গাজায় ৩১০ জনের বেশি স্বাস্থ্যসেবাকর্মীকে গ্রেপ্তার, নির্যাতন কিংবা কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবাকর্মীরা বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে হাসপাতালগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা গাজায় ওষুধ-চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহে বাধা দিয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিনিধি ও সার্জনদের প্রবেশে বাধা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। সেদিন থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী, যা এখনো চলছে।
এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই নির্বিচার হামলায় গাজায় নারী-শিশুসহ ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হওয়ার সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।