
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির প্রভাবে মক্কা ও আশপাশের অঞ্চলে দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিওতে বৃষ্টির তীব্রতার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। বৃষ্টির আগে সেসব এলাকায় ধূলিঝড় হয়। এতে করে বিভিন্ন জায়গায় দৃশ্যমানতা হ্রাস পায়।
সৌদির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র তাদের পূর্বাভাসে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা দিয়েছিল। বিশেষ করে মক্কা, জিজান, আসির, আল বাহা এবং মদিনায় বন্যা ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারের এই ভারী বৃষ্টির পর মক্কার নিম্নাঞ্চল ও উপত্যকাগুলোতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
পুরো বিশ্বের মতো মধ্যপ্রাচ্যেও এবার দেখা যাচ্ছে বিরূপ আবহাওয়া। অঞ্চলটির বিভিন্ন জায়গায় অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হচ্ছে। মরু অঞ্চলে কম বৃষ্টিপাত হলেও সেসব জায়গায় তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর মধ্যে আফ্রিকান দেশ মরক্কোর সাহারা মরুভূমিতে গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বন্যা দেখা গেছে। সাহারায় বন্যার বিষয়টি একটি বিরল ঘটনা।

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টির প্রভাবে মক্কা ও আশপাশের অঞ্চলে দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিওতে বৃষ্টির তীব্রতার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। বৃষ্টির আগে সেসব এলাকায় ধূলিঝড় হয়। এতে করে বিভিন্ন জায়গায় দৃশ্যমানতা হ্রাস পায়।
সৌদির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র তাদের পূর্বাভাসে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা দিয়েছিল। বিশেষ করে মক্কা, জিজান, আসির, আল বাহা এবং মদিনায় বন্যা ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারের এই ভারী বৃষ্টির পর মক্কার নিম্নাঞ্চল ও উপত্যকাগুলোতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
পুরো বিশ্বের মতো মধ্যপ্রাচ্যেও এবার দেখা যাচ্ছে বিরূপ আবহাওয়া। অঞ্চলটির বিভিন্ন জায়গায় অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হচ্ছে। মরু অঞ্চলে কম বৃষ্টিপাত হলেও সেসব জায়গায় তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর মধ্যে আফ্রিকান দেশ মরক্কোর সাহারা মরুভূমিতে গত ৫০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বন্যা দেখা গেছে। সাহারায় বন্যার বিষয়টি একটি বিরল ঘটনা।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।