
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস বৈশ্বিক শান্তিসূচক প্রকাশ করেছে।
শান্তিপূর্ণ দেশ নির্ধারণে নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। প্রধান তিনটি বিষয় হলো—সামাজিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, চলমান অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক সংঘাত ও সামরিকীকরণ।
ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের ২০২৪ সালের বৈশ্বিক শান্তি সূচক অনুসারে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ১০ দেশ হলো—
১. আইসল্যান্ড (ইউরোপ)
২. আয়ারল্যান্ড (ইউরোপ)
৩. অস্ট্রিয়া (ইউরোপ)
৪. নিউজিল্যান্ড (এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল)
৫. সিঙ্গাপুর (এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল)
৬. সুইজারল্যান্ড (ইউরোপ)
৭. পর্তুগাল (ইউরোপ)
৮. ডেনমার্ক (ইউরোপ)
৯. স্লোভেনিয়া (ইউরোপ)
১০. মালয়েশিয়া (এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল)
সূত্র: ফোর্বস ইন্ডিয়া

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস বৈশ্বিক শান্তিসূচক প্রকাশ করেছে।
শান্তিপূর্ণ দেশ নির্ধারণে নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। প্রধান তিনটি বিষয় হলো—সামাজিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, চলমান অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক সংঘাত ও সামরিকীকরণ।
ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের ২০২৪ সালের বৈশ্বিক শান্তি সূচক অনুসারে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ১০ দেশ হলো—
১. আইসল্যান্ড (ইউরোপ)
২. আয়ারল্যান্ড (ইউরোপ)
৩. অস্ট্রিয়া (ইউরোপ)
৪. নিউজিল্যান্ড (এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল)
৫. সিঙ্গাপুর (এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল)
৬. সুইজারল্যান্ড (ইউরোপ)
৭. পর্তুগাল (ইউরোপ)
৮. ডেনমার্ক (ইউরোপ)
৯. স্লোভেনিয়া (ইউরোপ)
১০. মালয়েশিয়া (এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল)
সূত্র: ফোর্বস ইন্ডিয়া
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।