
বিডিজেন ডেস্ক

গতকাল বুধবার (৭ মে) রাত থেকে আজ বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুর পর্যন্ত ভারত থেকে আসা ১২টি ভারতীয় ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করেছে পাকিস্তান। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআরের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এই তথ্য জানান। পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে এসব ড্রোন আসার পর এগুলো ভূপাতিত করা হয় বলে দাবি তাঁর।
পাকিস্তানের ইংরেজি দেনিক পত্রিকা ডন বলছে, গত রাতে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরেকটি স্পষ্ট সামরিক আগ্রাসন চালায় বলে জানান আইএসপিআরের ডিজি। তিনি বলেন, একাধিক স্থানে হারোপ ড্রোন পাঠিয়েছে তারা। পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী সতর্ক ছিল। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ১২টি হারোপ ড্রোন ধ্বংস করেছে পাকিস্তান বাহিনী।
আইএসপিআর থেকে আরও জানানো হয়, এসব ড্রোনের ৯টিই পাঠানো হয়েছিল আজ বৃহস্পতিবার সকালে।
এদিকে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে একটি ভারতীয় গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার সকালে লাহোরের ওয়ালটন বিমানবন্দরের কাছে ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভি।
সামা টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, লাহোর শহরের ওয়ালটন বিমানবন্দরের কাছে ভারতীয় স্পাই বা নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় এই শহরে একটি অজ্ঞাত বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। ড্রোনটির আকার পাঁচ থেকে ছয় ফুট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এটি সীমান্তের ওপার ভারতের ভেতর থেকে পরিচালনা করা হচ্ছিল। শহরের সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর দিকে নজরদারির চেষ্টা করছিল ড্রোনটি। এটি বিস্ফোরকবোঝাই ছিল বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরসহ দেশটির কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দেশটির অন্তত ৬টি স্থানে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে চালানো এই হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩১ জন। আহত অর্ধশতাধিক মানুষ।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, তারা এসব হামলা চালিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠী লস্কর-ই-তায়েবা (এলইটি) ও জইশ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশটির পাঞ্জাবের ভাওয়ালপুরে জেইএমের ঘাঁটি এবং একই প্রদেশের মুরিদকে শহরে এলইটির আস্তানাসহ নয়টি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
ভারতের হামলার পর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ৫টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন, ‘ভারতের “কাপুরুষোচিত” হামলার জবাব দেওয়া হয়েছে। ৫টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার মাধ্যমে হামলার জবাব দিয়েছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।’ পাকিস্তানের ওপর হামলা চালিয়ে ভারত ‘ভুল করেছে’ এবং এর জন্য ‘তাদের মূল্য দিতে হবে’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গতকাল বুধবার (৭ মে) রাত থেকে আজ বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুর পর্যন্ত ভারত থেকে আসা ১২টি ভারতীয় ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করেছে পাকিস্তান। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআরের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এই তথ্য জানান। পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে এসব ড্রোন আসার পর এগুলো ভূপাতিত করা হয় বলে দাবি তাঁর।
পাকিস্তানের ইংরেজি দেনিক পত্রিকা ডন বলছে, গত রাতে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরেকটি স্পষ্ট সামরিক আগ্রাসন চালায় বলে জানান আইএসপিআরের ডিজি। তিনি বলেন, একাধিক স্থানে হারোপ ড্রোন পাঠিয়েছে তারা। পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী সতর্ক ছিল। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ১২টি হারোপ ড্রোন ধ্বংস করেছে পাকিস্তান বাহিনী।
আইএসপিআর থেকে আরও জানানো হয়, এসব ড্রোনের ৯টিই পাঠানো হয়েছিল আজ বৃহস্পতিবার সকালে।
এদিকে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে একটি ভারতীয় গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার সকালে লাহোরের ওয়ালটন বিমানবন্দরের কাছে ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভি।
সামা টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, লাহোর শহরের ওয়ালটন বিমানবন্দরের কাছে ভারতীয় স্পাই বা নজরদারি ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। এর আগে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় এই শহরে একটি অজ্ঞাত বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। ড্রোনটির আকার পাঁচ থেকে ছয় ফুট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এটি সীমান্তের ওপার ভারতের ভেতর থেকে পরিচালনা করা হচ্ছিল। শহরের সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর দিকে নজরদারির চেষ্টা করছিল ড্রোনটি। এটি বিস্ফোরকবোঝাই ছিল বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরসহ দেশটির কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দেশটির অন্তত ৬টি স্থানে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে চালানো এই হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩১ জন। আহত অর্ধশতাধিক মানুষ।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, তারা এসব হামলা চালিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠী লস্কর-ই-তায়েবা (এলইটি) ও জইশ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশটির পাঞ্জাবের ভাওয়ালপুরে জেইএমের ঘাঁটি এবং একই প্রদেশের মুরিদকে শহরে এলইটির আস্তানাসহ নয়টি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
ভারতের হামলার পর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ৫টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন, ‘ভারতের “কাপুরুষোচিত” হামলার জবাব দেওয়া হয়েছে। ৫টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার মাধ্যমে হামলার জবাব দিয়েছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।’ পাকিস্তানের ওপর হামলা চালিয়ে ভারত ‘ভুল করেছে’ এবং এর জন্য ‘তাদের মূল্য দিতে হবে’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।