
বিডিজেন ডেস্ক

পরমাণু শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেরেস। দেশ দুটিকে যুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত থেকে সরে আসার কথাও বলেন তিনি।
মহাসচিব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য তার প্রচেষ্টা সম্পর্কে অবহিত করেন এবং এই বিষয়ে সকল মধ্যস্থতাকারীর সাথে যোগাযোগ রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি নিউইয়র্ক থেকে এ খবর জানায়।
নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের গুতেরেস বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ‘একটি উত্তপ্ত পর্যায়ে’ পৌঁছেছে।
গুতেরেস সতর্ক করে বলেন, ‘বিশেষ করে এই সংকটময় মুহূর্তে, এমন একটি সামরিক সংঘাত এড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা সহজেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এখন সর্বোচ্চ সংযম এবং বিপদের ধার থেকে সরে আসার সময়।’
এর আগে সোমবার ভারত-পাকিস্তানের চলমান অচলাবস্থা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাথে টেলিফোনে কথা বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো কথা বললেন এই দুই নেতা।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ জাতিসংঘ মহাসচিবের যোগাযোগ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর জন্য তার আহ্বান এবং যেকোনো সংঘর্ষ এড়াতে তার প্রয়োজনীয়তাকে স্বাগত জানান।
এ সময় পহেলগাম হামলার স্বাধীন, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেন শাহবাজ। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ভারত এখনো কোনো প্রমাণ সরবরাহ করতে পারেনি এবং দাবি করেন ভারত উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাম হামলার সঙ্গে সীমান্তের ওপারের যোগাযোগের অভিযোগ তোলে ভারত।

পরমাণু শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেরেস। দেশ দুটিকে যুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত থেকে সরে আসার কথাও বলেন তিনি।
মহাসচিব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য তার প্রচেষ্টা সম্পর্কে অবহিত করেন এবং এই বিষয়ে সকল মধ্যস্থতাকারীর সাথে যোগাযোগ রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি নিউইয়র্ক থেকে এ খবর জানায়।
নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের গুতেরেস বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ‘একটি উত্তপ্ত পর্যায়ে’ পৌঁছেছে।
গুতেরেস সতর্ক করে বলেন, ‘বিশেষ করে এই সংকটময় মুহূর্তে, এমন একটি সামরিক সংঘাত এড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা সহজেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এখন সর্বোচ্চ সংযম এবং বিপদের ধার থেকে সরে আসার সময়।’
এর আগে সোমবার ভারত-পাকিস্তানের চলমান অচলাবস্থা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাথে টেলিফোনে কথা বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো কথা বললেন এই দুই নেতা।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ জাতিসংঘ মহাসচিবের যোগাযোগ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর জন্য তার আহ্বান এবং যেকোনো সংঘর্ষ এড়াতে তার প্রয়োজনীয়তাকে স্বাগত জানান।
এ সময় পহেলগাম হামলার স্বাধীন, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেন শাহবাজ। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ভারত এখনো কোনো প্রমাণ সরবরাহ করতে পারেনি এবং দাবি করেন ভারত উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাম হামলার সঙ্গে সীমান্তের ওপারের যোগাযোগের অভিযোগ তোলে ভারত।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।