
বিডিজেন ডেস্ক

সিরিয়া থেকে নিজেদের সব সেনা ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সিরিয়ার ছাড়তে শুরু করেছে আমেরিকান সেনারা।
আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
সিরিয়ার কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের। এক যুগ আগে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের উত্থানের সময় এই ঘাঁটিগুলো তৈরি করা হয়েছিল।
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদের আমলে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০১৪ সালে আইএস দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে তথাকথিত খেলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়।
আইএসকে দমন করতে ২০১৪ সালে সিরিয়ায় প্রায় ২ হাজার সেনা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার আমেরিকান সেনা অবস্থান করছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সবাইকে ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, আইএস এখনো বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। গোষ্ঠীটিকে নির্মূল করতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের যেকোনো হুমকির জবাব দিতে আমেরিকান বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “সিরিয়ার সরকার নিজ সীমান্তের ভেতরে সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় মূল দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হওয়ায় সেখানে বড় পরিসরে আমেরিকান উপস্থিতি আর প্রয়োজন নেই।” তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে একটি সেনাদল ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ঘাঁটি সিরিয়ার সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিরিয়া থেকে নিজেদের সব সেনা ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সিরিয়ার ছাড়তে শুরু করেছে আমেরিকান সেনারা।
আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
সিরিয়ার কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের। এক যুগ আগে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের উত্থানের সময় এই ঘাঁটিগুলো তৈরি করা হয়েছিল।
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদের আমলে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০১৪ সালে আইএস দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠে। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে তথাকথিত খেলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়।
আইএসকে দমন করতে ২০১৪ সালে সিরিয়ায় প্রায় ২ হাজার সেনা মোতায়েন করেছিল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার আমেরিকান সেনা অবস্থান করছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের সবাইকে ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, আইএস এখনো বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। গোষ্ঠীটিকে নির্মূল করতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের যেকোনো হুমকির জবাব দিতে আমেরিকান বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “সিরিয়ার সরকার নিজ সীমান্তের ভেতরে সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় মূল দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হওয়ায় সেখানে বড় পরিসরে আমেরিকান উপস্থিতি আর প্রয়োজন নেই।” তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে একটি সেনাদল ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ঘাঁটি সিরিয়ার সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।