
বিডিজেন ডেস্ক
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত বিগ টিকিট আবুধাবি র্যাফেল ড্র-তে এক লাখ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ লাখ ১২ হাজার ৬১৪ টাকা) জিতেছেন এক প্রবাসী বাংলাদেশি । তপন দাস নামের ওই প্রবাসী পেশায় একজন নরসুন্দর।
গত মঙ্গলবার আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত বিগ টিকিট র্যাফেল ড্র-এর পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কেবল তপন দাসই নন, এই ড্র-তে আরও তিনজন ভারতীয় প্রবাসীও বিজয়ী হয়েছেন। আবুধাবি বিগ টিকিট সিরিজের ২৭১তম ড্রয়ে এই চার প্রবাসী বিজয়ী সম্মিলিতভাবে জিতেছেন ৩ লাখ ৭০ হাজার দিরহাম। এই পুরস্কারের সম্মিলিত মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক কোটি ২২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
লটারি বিজয়ী তপন দাস গত ছয় বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। ৩০ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি নরসুন্দরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। লটারি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে তিনি নিজের ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন।
তৎক্ষণাৎ পরিবারের কাছে অর্থ পাঠিয়ে তপন দাস জানিয়েছেন, এই জয় তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণের দরজা খুলে দিয়েছে। তিনি শিগগিরই নিজের ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে যেতে চান।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত বিগ টিকিট আবুধাবি র্যাফেল ড্র-তে এক লাখ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ লাখ ১২ হাজার ৬১৪ টাকা) জিতেছেন এক প্রবাসী বাংলাদেশি । তপন দাস নামের ওই প্রবাসী পেশায় একজন নরসুন্দর।
গত মঙ্গলবার আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত বিগ টিকিট র্যাফেল ড্র-এর পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কেবল তপন দাসই নন, এই ড্র-তে আরও তিনজন ভারতীয় প্রবাসীও বিজয়ী হয়েছেন। আবুধাবি বিগ টিকিট সিরিজের ২৭১তম ড্রয়ে এই চার প্রবাসী বিজয়ী সম্মিলিতভাবে জিতেছেন ৩ লাখ ৭০ হাজার দিরহাম। এই পুরস্কারের সম্মিলিত মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক কোটি ২২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
লটারি বিজয়ী তপন দাস গত ছয় বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। ৩০ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি নরসুন্দরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। লটারি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে তিনি নিজের ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন।
তৎক্ষণাৎ পরিবারের কাছে অর্থ পাঠিয়ে তপন দাস জানিয়েছেন, এই জয় তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণের দরজা খুলে দিয়েছে। তিনি শিগগিরই নিজের ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে যেতে চান।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।