
বিডিজেন ডেস্ক

কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওমান সরকার নতুন আইন চালু করেছে। নতুন এই আইন অনুযায়ী, দেশটির বেসরকারি খাতের কর্মীরা কর্মক্ষেত্রে দেরি করে গেলে, নির্ধারিত সময়ের আগে বের হলে এবং অন্যান্য কর্মক্ষেত্র আইন লঙ্ঘন করলে তাদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন আইনের অধীনে, কোনো কর্মী যৌক্তিক কারণ ছাড়াই ৬০ মিনিটের বেশি দেরি করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করলে দুই দিনের মজুরি নেওয়া হবে।
এছাড়া অননুমোদিত অনুপস্থিতি এবং কর্মক্ষেত্রের আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য বিভিন্ন ধরনের জরিমানার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এই নতুন আইনে।
দেরি করে আসা কর্মীদের জন্য বিলম্বের সময়কাল এবং কতবার বিলম্ব হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে জরিমানা বৃদ্ধি পাবে।
ওমান সরকারের নতুন এই আইন অনুযায়ী, ১৫ মিনিট পর্যন্ত দেরি করে আসা শ্রমিকরা প্রথম অপরাধের জন্য একটি লিখিত সতর্কতা পাবেন। পরবর্তীতে দেরি হলে তাদের দৈনিক মজুরির ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কেটে নেওয়া হবে। এছাড়া যারা ১৫ থেকে ৩০ মিনিট দেরিতে কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাবে তাদের ১০ থেকে ২৫ শতাংশ দৈনিক মজুরি কেটে নেওয়া হবে। যদি এরপরেও একজন কর্মী নিয়মিত দেরি করেন তাহলে তার জরিমানার হারও বাড়তে থাকবে। আর ৩০ মিনিটের বেশি দেরি করে অফিসে প্রবেশ করলে দৈনিক মজুরির ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কেটে নেওয়া হবে।
এছাড়াও নতুন এই আইনে বলা হয়, কর্মক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতির জন্য ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দৈনিক মজুরি কেটে নেওয়া হবে। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগে কর্মক্ষেত্র থেকে যাওয়ার ফলে একটি লিখিত সতর্কতা দেওয়া হবে। এরপর থেকে এমন অপরাধের কারণে এক দিনের মজুরি কেটে নেওয়া হবে।
কর্মক্ষেত্রে অনুমতি না নিয়ে বাইরের লোকজন প্রবেশ করানো, কাজের সময় খাওয়া বা ঘুমানোর শাস্তি হিসেবে বেশ কয়েকদিন সাময়িক বরখাস্তের বিধান রাখা হয়েছে ওমান সরকারের নতুন আইনে। এছাড়া ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে কোম্পানির ফোন ব্যবহারের বিষয়েও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে আইনটিতে।
এতে বলা হয়, কাজের ক্ষেত্রে অবহেলা যা নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে বা উপকরণের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এমন অপরাধ করলে একজন কর্মীকে পাঁচ দিন পর্যন্ত সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। আর কর্মক্ষেত্রে মাদকাসক্ত কর্মীদের ক্ষতিপূরণ ছাড়াই অবিলম্বে বরখাস্ত করা হবে।
ওমানের নতুন আইনে, সাত দিনের মধ্যে ব্যক্তিগত তথ্যের পরিবর্তন সম্পর্কে নিয়োগকর্তাকে অবহিত করতে ব্যর্থ হলে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এই ধরনের অপরাধের জন্য বেতন কাটা বা তিন দিন পর্যন্ত সাময়িক বরখাস্তের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া আপত্তিকর ভাষা, ছোটখাটো আক্রমণ ,ঘুষ গ্রহণ, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ধর্মঘট করা বা সহকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করলে একজন কর্মীকে বরখাস্ত করার কথা আইনে বলা হয়েছে।
ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়োগকর্তাদের অবশ্যই কর্মক্ষেত্রে এই আইন আরবি এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় প্রদর্শন করতে হবে।
ওমান সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা শ্রম আইন লঙ্ঘন সহ্য করবে না। এই আইন লঙ্ঘন করলে নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারী উভয়কেই শাস্তির আওতায় আনা হবে।

কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওমান সরকার নতুন আইন চালু করেছে। নতুন এই আইন অনুযায়ী, দেশটির বেসরকারি খাতের কর্মীরা কর্মক্ষেত্রে দেরি করে গেলে, নির্ধারিত সময়ের আগে বের হলে এবং অন্যান্য কর্মক্ষেত্র আইন লঙ্ঘন করলে তাদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন আইনের অধীনে, কোনো কর্মী যৌক্তিক কারণ ছাড়াই ৬০ মিনিটের বেশি দেরি করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করলে দুই দিনের মজুরি নেওয়া হবে।
এছাড়া অননুমোদিত অনুপস্থিতি এবং কর্মক্ষেত্রের আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য বিভিন্ন ধরনের জরিমানার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এই নতুন আইনে।
দেরি করে আসা কর্মীদের জন্য বিলম্বের সময়কাল এবং কতবার বিলম্ব হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে জরিমানা বৃদ্ধি পাবে।
ওমান সরকারের নতুন এই আইন অনুযায়ী, ১৫ মিনিট পর্যন্ত দেরি করে আসা শ্রমিকরা প্রথম অপরাধের জন্য একটি লিখিত সতর্কতা পাবেন। পরবর্তীতে দেরি হলে তাদের দৈনিক মজুরির ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কেটে নেওয়া হবে। এছাড়া যারা ১৫ থেকে ৩০ মিনিট দেরিতে কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাবে তাদের ১০ থেকে ২৫ শতাংশ দৈনিক মজুরি কেটে নেওয়া হবে। যদি এরপরেও একজন কর্মী নিয়মিত দেরি করেন তাহলে তার জরিমানার হারও বাড়তে থাকবে। আর ৩০ মিনিটের বেশি দেরি করে অফিসে প্রবেশ করলে দৈনিক মজুরির ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কেটে নেওয়া হবে।
এছাড়াও নতুন এই আইনে বলা হয়, কর্মক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতির জন্য ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দৈনিক মজুরি কেটে নেওয়া হবে। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগে কর্মক্ষেত্র থেকে যাওয়ার ফলে একটি লিখিত সতর্কতা দেওয়া হবে। এরপর থেকে এমন অপরাধের কারণে এক দিনের মজুরি কেটে নেওয়া হবে।
কর্মক্ষেত্রে অনুমতি না নিয়ে বাইরের লোকজন প্রবেশ করানো, কাজের সময় খাওয়া বা ঘুমানোর শাস্তি হিসেবে বেশ কয়েকদিন সাময়িক বরখাস্তের বিধান রাখা হয়েছে ওমান সরকারের নতুন আইনে। এছাড়া ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে কোম্পানির ফোন ব্যবহারের বিষয়েও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে আইনটিতে।
এতে বলা হয়, কাজের ক্ষেত্রে অবহেলা যা নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে বা উপকরণের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এমন অপরাধ করলে একজন কর্মীকে পাঁচ দিন পর্যন্ত সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। আর কর্মক্ষেত্রে মাদকাসক্ত কর্মীদের ক্ষতিপূরণ ছাড়াই অবিলম্বে বরখাস্ত করা হবে।
ওমানের নতুন আইনে, সাত দিনের মধ্যে ব্যক্তিগত তথ্যের পরিবর্তন সম্পর্কে নিয়োগকর্তাকে অবহিত করতে ব্যর্থ হলে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এই ধরনের অপরাধের জন্য বেতন কাটা বা তিন দিন পর্যন্ত সাময়িক বরখাস্তের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া আপত্তিকর ভাষা, ছোটখাটো আক্রমণ ,ঘুষ গ্রহণ, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ধর্মঘট করা বা সহকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করলে একজন কর্মীকে বরখাস্ত করার কথা আইনে বলা হয়েছে।
ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়োগকর্তাদের অবশ্যই কর্মক্ষেত্রে এই আইন আরবি এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় প্রদর্শন করতে হবে।
ওমান সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা শ্রম আইন লঙ্ঘন সহ্য করবে না। এই আইন লঙ্ঘন করলে নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারী উভয়কেই শাস্তির আওতায় আনা হবে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।