
বিডিজেন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।
চিকিৎসাসূত্র আল–জাজিরাকে জানিয়েছে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ জনই নিহত হয়েছেন গাজার উত্তরাঞ্চলে।
অন্যদিকে লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে চালানো ইসরায়েলি হামলায় ৫২ জন নিহত হয়েছেন। আহত ১৬১ জন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। চলমান এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৪৬৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত এক লাখের বেশি ফিলিস্তিনি।
অন্যদিকে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৩ হাজার ১০২ জন। আহত ১৩ হাজার ৮১৯ জন।
জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগী মুখপাত্র স্টেফানি ট্রেম্বলে বলেছেন, উত্তর গাজার সব মানুষ রোগ, দুর্ভিক্ষ ও সহিংসতায় মৃত্যুর আসন্ন ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্টেফানি আরও বলেন, সেখানে (উত্তর গাজা) ফিলিস্তিনিদের কোনো সুরক্ষা নেই। কারণ, বোমাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত সহকর্মীরা আবার জোর দিয়ে বলেছেন, উত্তর গাজা, তথা পুরো গাজা উপত্যকার বেসামরিক নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ফিলিস্তিনের গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।
চিকিৎসাসূত্র আল–জাজিরাকে জানিয়েছে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ জনই নিহত হয়েছেন গাজার উত্তরাঞ্চলে।
অন্যদিকে লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে চালানো ইসরায়েলি হামলায় ৫২ জন নিহত হয়েছেন। আহত ১৬১ জন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। চলমান এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৪৬৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত এক লাখের বেশি ফিলিস্তিনি।
অন্যদিকে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৩ হাজার ১০২ জন। আহত ১৩ হাজার ৮১৯ জন।
জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগী মুখপাত্র স্টেফানি ট্রেম্বলে বলেছেন, উত্তর গাজার সব মানুষ রোগ, দুর্ভিক্ষ ও সহিংসতায় মৃত্যুর আসন্ন ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্টেফানি আরও বলেন, সেখানে (উত্তর গাজা) ফিলিস্তিনিদের কোনো সুরক্ষা নেই। কারণ, বোমাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত সহকর্মীরা আবার জোর দিয়ে বলেছেন, উত্তর গাজা, তথা পুরো গাজা উপত্যকার বেসামরিক নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।
সূত্র: আল জাজিরা
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।