

বিডিজেন ডেস্ক

ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
আমেরিকাভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস বরাতে এ খবর জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম গালফ নিউজ।
সংস্থাটি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২৯ জন বিক্ষোভকারী, চারজন শিশু এবং ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।
ইরানের ভেতরে থাকা একটি কর্মী নেটওয়ার্কের তথ্যের ওপর নির্ভর করে হতাহতের সংখ্যার এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি। এই সংস্থাটি অতীতের অস্থির পরিস্থিতিতেও তুলনামূলকভাবে নির্ভুল তথ্য দিয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স, যাকে দেশটির আধা–সামরিক বিপ্লবী গার্ডের ঘনিষ্ঠ বলে ধারণা করা হয়, তারা সোমবার গভীর রাতে জানায়, বিক্ষোভে প্রায় ২৫০ জন পুলিশ সদস্য এবং গার্ডের স্বেচ্ছাসেবী বাসিজ বাহিনীর ৪৫ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
আমেরিকাভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস বরাতে এ খবর জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম গালফ নিউজ।
সংস্থাটি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ২৯ জন বিক্ষোভকারী, চারজন শিশু এবং ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।
ইরানের ভেতরে থাকা একটি কর্মী নেটওয়ার্কের তথ্যের ওপর নির্ভর করে হতাহতের সংখ্যার এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি। এই সংস্থাটি অতীতের অস্থির পরিস্থিতিতেও তুলনামূলকভাবে নির্ভুল তথ্য দিয়েছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স, যাকে দেশটির আধা–সামরিক বিপ্লবী গার্ডের ঘনিষ্ঠ বলে ধারণা করা হয়, তারা সোমবার গভীর রাতে জানায়, বিক্ষোভে প্রায় ২৫০ জন পুলিশ সদস্য এবং গার্ডের স্বেচ্ছাসেবী বাসিজ বাহিনীর ৪৫ জন সদস্য আহত হয়েছেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।