
বিডিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে প্রেসিডেন্টের বাসভবন আইওয়ান-ই-সদরে ঐতিহ্যবাহী কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে পৌঁছালে সেখানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রাচারপ্রধান তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর অশ্ববাহিনী পরিবেষ্টিত ঘোড়ার গাড়িতে করে তাঁকে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল হাইকমিশনারকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। হাইকমিশনার গার্ড পরিদর্শন করেন।

এরপর হাইকমিশনার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেন।
এ সময় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব, প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব, চিফ অব প্রটোকল এবং হাইকমিশনারের সহধর্মিনী, উপ হাইকমিশনার ও হাইকমিশনের প্রেস কাউন্সেলর উপস্থিত ছিলেন।

প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সার্বিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি

পাকিস্তানে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে প্রেসিডেন্টের বাসভবন আইওয়ান-ই-সদরে ঐতিহ্যবাহী কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে পৌঁছালে সেখানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রাচারপ্রধান তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর অশ্ববাহিনী পরিবেষ্টিত ঘোড়ার গাড়িতে করে তাঁকে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল হাইকমিশনারকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। হাইকমিশনার গার্ড পরিদর্শন করেন।

এরপর হাইকমিশনার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেন।
এ সময় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব, প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব, চিফ অব প্রটোকল এবং হাইকমিশনারের সহধর্মিনী, উপ হাইকমিশনার ও হাইকমিশনের প্রেস কাউন্সেলর উপস্থিত ছিলেন।

প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সার্বিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।