
বিডিজেন ডেস্ক

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের উছেরা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তিনি সেখানে ফুড ডেলিভারির কাজ করতেন।
স্থানীয় সময় ১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
একটি দ্রুতগামী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিগন্যাল পোস্ট উপড়ে ফেলে দুটি কন্টেইনারে ধাক্কা দেয় এবং মিজানকে আঘাত করে। আঘাতে সে রাস্তা থেকে অনেক দূরে ছিটকে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অতিরিক্ত গতিই এই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। গাড়ির চালক দুর্ঘটনার প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি জব্দ করেছে পুলিশ।
নিহত মিজানুর রাহমান (২৮) দুই বছর ধরে মাদ্রিদে বসবাস করতেন। তার দেশের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ার টেংরাবাজার এলাকার হিঙ্গাজিয়া গ্রামে। তার এই অকাল মৃত্যুতে স্পেনের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের উছেরা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তিনি সেখানে ফুড ডেলিভারির কাজ করতেন।
স্থানীয় সময় ১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
একটি দ্রুতগামী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিগন্যাল পোস্ট উপড়ে ফেলে দুটি কন্টেইনারে ধাক্কা দেয় এবং মিজানকে আঘাত করে। আঘাতে সে রাস্তা থেকে অনেক দূরে ছিটকে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অতিরিক্ত গতিই এই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। গাড়ির চালক দুর্ঘটনার প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি জব্দ করেছে পুলিশ।
নিহত মিজানুর রাহমান (২৮) দুই বছর ধরে মাদ্রিদে বসবাস করতেন। তার দেশের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ার টেংরাবাজার এলাকার হিঙ্গাজিয়া গ্রামে। তার এই অকাল মৃত্যুতে স্পেনের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।