
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দুর্ঘটনারোধে মন্ত্রণালয়টি সড়কে নিরাপত্তা জোরদারে প্রচেষ্টা এখনও অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সড়ক দুর্ঘটনারোধে তারা প্রধান সড়ক, স্কয়ারগুলোতে যেন ট্রাফিক আইন মেনে চলা হয় তা নিশ্চিত করতে চাইছে। এর ধারাবাহিকতায় এই বছরের প্রথম নয় মাসে মন্ত্রণালয় সংযোগ সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য ১১টিরও বেশি কেন্দ্র স্থাপন করেছে।
এছাড়া ১১ শ কিলোমিটারের বেশি রাস্তায় আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত নিরাপত্তা কর্মী ও যানবাহন নামানো হয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিকভাবে বাইরের সংযোগ সড়কগুলোকে পর্যবেক্ষণে রাখতে ইলেকট্রিক সিকিউরিটি সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।
সৌদি সরকার বলছে, ২০১৬ সালে দেশটিতে গড়ে এক লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল সড়ক দুর্ঘটনায়। আর ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ১৩ জনে নেমে এসেছে।
ভিশন ২০৩০-এর আওতায় সৌদিতে নানা ধরনের সংস্কার শুরু করেছে দেশটির সরকার। এসব সংস্কারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথ ও কৌশলগত প্রকল্পের মাধ্যমে ট্রাফিক সুরক্ষা বাড়াতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দুর্ঘটনারোধে মন্ত্রণালয়টি সড়কে নিরাপত্তা জোরদারে প্রচেষ্টা এখনও অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সড়ক দুর্ঘটনারোধে তারা প্রধান সড়ক, স্কয়ারগুলোতে যেন ট্রাফিক আইন মেনে চলা হয় তা নিশ্চিত করতে চাইছে। এর ধারাবাহিকতায় এই বছরের প্রথম নয় মাসে মন্ত্রণালয় সংযোগ সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য ১১টিরও বেশি কেন্দ্র স্থাপন করেছে।
এছাড়া ১১ শ কিলোমিটারের বেশি রাস্তায় আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত নিরাপত্তা কর্মী ও যানবাহন নামানো হয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষণিকভাবে বাইরের সংযোগ সড়কগুলোকে পর্যবেক্ষণে রাখতে ইলেকট্রিক সিকিউরিটি সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।
সৌদি সরকার বলছে, ২০১৬ সালে দেশটিতে গড়ে এক লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল সড়ক দুর্ঘটনায়। আর ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ১৩ জনে নেমে এসেছে।
ভিশন ২০৩০-এর আওতায় সৌদিতে নানা ধরনের সংস্কার শুরু করেছে দেশটির সরকার। এসব সংস্কারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথ ও কৌশলগত প্রকল্পের মাধ্যমে ট্রাফিক সুরক্ষা বাড়াতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।