
বিডিজেন ডেস্ক

সরকারি ও বেসরকারি উভয় সংস্থাকে 'স্পনসর' শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সৌদি আরবের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর পরিবর্তে সমস্ত সরকারি নথিতে 'নিয়োগকর্তা' ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে গতকাল মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি সরকার জানায়, দেশটির শ্রম আইনের ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'নিয়োগকর্তা' শব্দটি ওই ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি মজুরির বিনিময়ে এক বা একাধিক শ্রমিককে নিয়োগ করেন।
এই নির্দেশনাটি একটি চিঠির সৌদি চেম্বার ফেডারেশনের কাছে পাঠায় সরকার। পরে এটি বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে শ্রমিক কারা সে বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। শ্রমিকের সংজ্ঞায় বলা হয়, পুরুষ বা নারী যেকোনো ব্যক্তি যিনি মজুরির বিনিময়ে নিয়োগকর্তার সুবিধার জন্য তার তত্ত্বাবধানে কাজ করেন তিনি শ্রমিক।
২০২১ সালে শ্রম অধিকার বাড়াতে সৌদির মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় কন্ট্রাকচুয়াল রিলেশনশিপ ইমপ্রুভমেন্ট নামে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্যোগটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্মীদের সঙ্গে নিয়োগ কর্তার বিরোধ ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এর মাধ্যমে ১০ লাখ শ্রমিক উপকৃত হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি সরকার।

সরকারি ও বেসরকারি উভয় সংস্থাকে 'স্পনসর' শব্দটি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সৌদি আরবের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর পরিবর্তে সমস্ত সরকারি নথিতে 'নিয়োগকর্তা' ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে গতকাল মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি সরকার জানায়, দেশটির শ্রম আইনের ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'নিয়োগকর্তা' শব্দটি ওই ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি মজুরির বিনিময়ে এক বা একাধিক শ্রমিককে নিয়োগ করেন।
এই নির্দেশনাটি একটি চিঠির সৌদি চেম্বার ফেডারেশনের কাছে পাঠায় সরকার। পরে এটি বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে শ্রমিক কারা সে বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। শ্রমিকের সংজ্ঞায় বলা হয়, পুরুষ বা নারী যেকোনো ব্যক্তি যিনি মজুরির বিনিময়ে নিয়োগকর্তার সুবিধার জন্য তার তত্ত্বাবধানে কাজ করেন তিনি শ্রমিক।
২০২১ সালে শ্রম অধিকার বাড়াতে সৌদির মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় কন্ট্রাকচুয়াল রিলেশনশিপ ইমপ্রুভমেন্ট নামে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্যোগটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্মীদের সঙ্গে নিয়োগ কর্তার বিরোধ ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এর মাধ্যমে ১০ লাখ শ্রমিক উপকৃত হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি সরকার।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।