
বিডিজেন ডেস্ক

মালদ্বীপের গুরাইধু আইল্যান্ডে অবৈধভাবে বসবাস ও ব্যবসা করার অভিযোগে ৩৯ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিবাসীরা বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভারত ও নাইজেরিয়ার নাগরিক। তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি ইমিগ্রেশন বিভাগ।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় গণমাধ্যমকে অভিবাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন বিভাগ ও পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযানে অংশ নেয়।
মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রক জেনারেল মোহাম্মদ শামআন ওয়াহেদ বলেছেন, মালদ্বীপের আইল্যান্ডগুলোতে অবৈধ অভিবাসী বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ৪২টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয় এবং ১০৬ জন বিদেশিকে আটক করা হয়। ১১ বিদেশির ভিসা অসম্পূর্ণ ছিল। তাদের ইমিগ্রেশনে হাজির হওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তাররা বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভারত ও নাইজেরিয়ার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযান ক্রমান্বয়ে দেশটির বিভিন্ন জায়গায় পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

মালদ্বীপের গুরাইধু আইল্যান্ডে অবৈধভাবে বসবাস ও ব্যবসা করার অভিযোগে ৩৯ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিবাসীরা বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভারত ও নাইজেরিয়ার নাগরিক। তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি ইমিগ্রেশন বিভাগ।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় গণমাধ্যমকে অভিবাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন বিভাগ ও পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযানে অংশ নেয়।
মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রক জেনারেল মোহাম্মদ শামআন ওয়াহেদ বলেছেন, মালদ্বীপের আইল্যান্ডগুলোতে অবৈধ অভিবাসী বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ৪২টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয় এবং ১০৬ জন বিদেশিকে আটক করা হয়। ১১ বিদেশির ভিসা অসম্পূর্ণ ছিল। তাদের ইমিগ্রেশনে হাজির হওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তাররা বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভারত ও নাইজেরিয়ার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযান ক্রমান্বয়ে দেশটির বিভিন্ন জায়গায় পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।