
বিডিজেন ডেস্ক

ইরান সংঘাত চায় না, তবে যেকোনো যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার দেশটিতে থাকা বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক সম্মেলনে এ মন্তব্য করেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিক্ষোভ দমনে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর ইরানের নেতৃত্ব আলোচনায় বসতে আগ্রহ দেখাচ্ছে-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের জেরে আরাঘচি ওই মন্তব্য করেন।
তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’ অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়”
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আলোচনার জন্যও প্রস্তুত। তবে সেই আলোচনা হতে হবে ন্যায্য, সমান অধিকার ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।’
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে সরাসরি সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএর তথ্যমতে, ইরানে বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী এবং ৪৮ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১০ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষকে।
তবে ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
রাজধানী তেহরানের কর্নার অফিস থেকে পাওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মেঝেতে সারি সারি লাশের ব্যাগ পড়ে রয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এগুলোকে “সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের” শিকার বলে দাবি করেছে।
বিক্ষোভ দমনে গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইলন মাস্কের সাথে কথা বলবেন যাতে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইরানিদের সংযোগ দেওয়া যায়।
তবে আরাঘচি জানিয়েছেন, নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করেই কেবল ইন্টারনেট পুনরায় চালু করা হবে।

ইরান সংঘাত চায় না, তবে যেকোনো যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার দেশটিতে থাকা বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক সম্মেলনে এ মন্তব্য করেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
বিক্ষোভ দমনে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর ইরানের নেতৃত্ব আলোচনায় বসতে আগ্রহ দেখাচ্ছে-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের জেরে আরাঘচি ওই মন্তব্য করেন।
তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’ অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়”
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আলোচনার জন্যও প্রস্তুত। তবে সেই আলোচনা হতে হবে ন্যায্য, সমান অধিকার ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।’
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালালে সরাসরি সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএর তথ্যমতে, ইরানে বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী এবং ৪৮ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১০ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষকে।
তবে ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
রাজধানী তেহরানের কর্নার অফিস থেকে পাওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মেঝেতে সারি সারি লাশের ব্যাগ পড়ে রয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এগুলোকে “সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের” শিকার বলে দাবি করেছে।
বিক্ষোভ দমনে গত বৃহস্পতিবার থেকে ইরানে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইলন মাস্কের সাথে কথা বলবেন যাতে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইরানিদের সংযোগ দেওয়া যায়।
তবে আরাঘচি জানিয়েছেন, নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করেই কেবল ইন্টারনেট পুনরায় চালু করা হবে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।