
বিডিজেন ডেস্ক

অবৈধভাবে ইরানে প্রবেশের চেষ্টাকালে পাকিস্তান-ইরান সীমান্ত থেকে ৩৩ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফআইএ) এবং ফ্রন্টিয়ার কর্পস (এফসি)। গতকাল বুধবার (২৩ জুলাই) তাফরানের কাছে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
খবর পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভির।
একটি সূত্র জানায়, বালুচিস্তান প্রদেশের চাগাই বিভাগের মাসকিল এলাকা দিয়ে বাংলাদেশিরা ইরানে প্রবেশের চেস্টা করে। নির্জন ওই এলাকাটি দিয়ে পাকিস্তান থেকে অনেকেই ইরানে যায়।
যেসব বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে তারা গত জুন ও চলতি জুলাইয়ে বৈধ উপায়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করে। কিন্তু কোনো বৈধ কাগজ ও ছাড়পত্র ছাড়া তারা ইরানে যাওয়ার চেষ্টা করে।
সামা টিভি জানায়, গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশিরা দলবদ্ধ হয়ে ইরানের ঢোকার চেষ্টা করে। তখন তাদের থামায় নিরাপত্তারক্ষীরা। ইরানে যাওয়ার কাগজপত্র চাইলে তারা সেগুলো দিতে ব্যর্থ হয়।
এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, ৩৩ জনের সবাইকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তী তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তুলে দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই বাংলাদেশিরা কোনো মানবপাচার চক্রের সদস্য হতে পারে। যারা সীমান্ত এলাকায় কার্যক্রম চালায়।

অবৈধভাবে ইরানে প্রবেশের চেষ্টাকালে পাকিস্তান-ইরান সীমান্ত থেকে ৩৩ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফআইএ) এবং ফ্রন্টিয়ার কর্পস (এফসি)। গতকাল বুধবার (২৩ জুলাই) তাফরানের কাছে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
খবর পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভির।
একটি সূত্র জানায়, বালুচিস্তান প্রদেশের চাগাই বিভাগের মাসকিল এলাকা দিয়ে বাংলাদেশিরা ইরানে প্রবেশের চেস্টা করে। নির্জন ওই এলাকাটি দিয়ে পাকিস্তান থেকে অনেকেই ইরানে যায়।
যেসব বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে তারা গত জুন ও চলতি জুলাইয়ে বৈধ উপায়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করে। কিন্তু কোনো বৈধ কাগজ ও ছাড়পত্র ছাড়া তারা ইরানে যাওয়ার চেষ্টা করে।
সামা টিভি জানায়, গ্রেপ্তারকৃত বাংলাদেশিরা দলবদ্ধ হয়ে ইরানের ঢোকার চেষ্টা করে। তখন তাদের থামায় নিরাপত্তারক্ষীরা। ইরানে যাওয়ার কাগজপত্র চাইলে তারা সেগুলো দিতে ব্যর্থ হয়।
এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, ৩৩ জনের সবাইকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তী তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তুলে দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই বাংলাদেশিরা কোনো মানবপাচার চক্রের সদস্য হতে পারে। যারা সীমান্ত এলাকায় কার্যক্রম চালায়।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।