
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের খসড়া আইন অনুমোদন করেছে দেশটির মন্ত্রিসভা। গতকাল মঙ্গলবার কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ আবদুল্লাহ আল আহমদ আল সাবাহর সভাপতিত্বে বায়ান প্রাসাদে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এই খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
কুয়েত সরকারের বরাত দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, বৈশ্বিক করের মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই আইনের লক্ষ্য হলো কর ফাঁকি রোধ করা। পাশাপাশি অন্যান্য দেশে রাজস্ব যাতে না চলে যায় সেই ব্যবস্থা করা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এই আইনটি কার্যকর হবে। কুয়েতের মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেরিদা আল মুশারজি বৈঠকের পরে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কর সংস্থা অ্যান্ডারসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অনুরাগ চতুর্বেদী বলেন, এই কর কর্মসংস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে প্রবাসীদের যদিও এটি কুয়েতের সরকারি রাজস্বকে বৈচিত্র্যময় করে তুলবে।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরই বেশি অভিবাসী।

কুয়েতে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের খসড়া আইন অনুমোদন করেছে দেশটির মন্ত্রিসভা। গতকাল মঙ্গলবার কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ আবদুল্লাহ আল আহমদ আল সাবাহর সভাপতিত্বে বায়ান প্রাসাদে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এই খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
কুয়েত সরকারের বরাত দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, বৈশ্বিক করের মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এই আইনের লক্ষ্য হলো কর ফাঁকি রোধ করা। পাশাপাশি অন্যান্য দেশে রাজস্ব যাতে না চলে যায় সেই ব্যবস্থা করা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এই আইনটি কার্যকর হবে। কুয়েতের মন্ত্রিপরিষদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেরিদা আল মুশারজি বৈঠকের পরে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কর সংস্থা অ্যান্ডারসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অনুরাগ চতুর্বেদী বলেন, এই কর কর্মসংস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে প্রবাসীদের যদিও এটি কুয়েতের সরকারি রাজস্বকে বৈচিত্র্যময় করে তুলবে।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরই বেশি অভিবাসী।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।