
বিডিজেন ডেস্ক

গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবের মদিনার পবিত্র মসজিদে নববীতে ৫০ লাখ ৩০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন। এছাড়া একই সময়ের মধ্যে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এর রওজা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন ২ লাখ ৬৯ হাজার ২৩৮ মুসলিম।
ইসলামের পবিত্র মসজিদটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ গতকাল শনিবার সাপ্তাহিক আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, এই একই সময়ে মুসল্লিদের মধ্যে ১ হাজার ৩৬০ টন জমজমের পানি ও ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫ প্যাকেট ইফতারও বিতরণ করা হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা মহানবী (স.)-এর রওজা শরীফে আসতে চান তাদের অবশ্যই আগে থেকে নিবন্ধন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসতে হবে। এতে করে তারা সুন্দরভাবে রওজা পরিদর্শন করতে পারবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, ২০২৩ সালে সৌদিসহ বিশ্বের ২৮ কোটি মুসল্লি মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় করেন ।

গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবের মদিনার পবিত্র মসজিদে নববীতে ৫০ লাখ ৩০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন। এছাড়া একই সময়ের মধ্যে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এর রওজা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন ২ লাখ ৬৯ হাজার ২৩৮ মুসলিম।
ইসলামের পবিত্র মসজিদটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ গতকাল শনিবার সাপ্তাহিক আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, এই একই সময়ে মুসল্লিদের মধ্যে ১ হাজার ৩৬০ টন জমজমের পানি ও ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫ প্যাকেট ইফতারও বিতরণ করা হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা মহানবী (স.)-এর রওজা শরীফে আসতে চান তাদের অবশ্যই আগে থেকে নিবন্ধন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসতে হবে। এতে করে তারা সুন্দরভাবে রওজা পরিদর্শন করতে পারবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, ২০২৩ সালে সৌদিসহ বিশ্বের ২৮ কোটি মুসল্লি মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় করেন ।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।