
বিডিজেন ডেস্ক
পবিত্র রমজান মাসে সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৌদি আরবের মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের বাতাসে কফি ও ঐতিহ্যবাহী নানা ধরনের মসলার সুগ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে।
পবিত্র এই মসজিদটিতে প্রতিদিন হাজার হাজার ওমরাহ পালনকারী ও মুসল্লিরা ইফতার করতে জড়ো হন। তাদের কাছে এই কফি কেবল একটি পানীয়ের চেয়েও বেশি কিছু হয়ে উঠেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক গালফ নিউজ জানায়, রমজান মাসে ইফতারে প্রতিদিন মসজিদ প্রাঙ্গণজুড়ে ১২ হাজার প্যাকেট খাবারের সঙ্গে ৪০০ লিটার অ্যারাবিক কফি পরিবেশন করা হচ্ছে।
ঐতিহ্যগতভাবে খেজুরের সঙ্গে ছোট কাপে পরিবেশিত এই কফি ইফতারের টেবিলে মুসল্লিদের প্রিয় পানীয়তে পরিণত হয়েছে।
ইউনিফর্ম পড়া ৭৩ জন তরুণ সৌদি স্বেচ্ছাসেবকের একটি দল খাবার ও কফি বিতরণের করে থাকেন।
আল হুদাইবিয়া অ্যাসোসিয়েশন ফর হিউম্যানিটেরিয়ান সার্ভিসেসের নেতৃত্বে এই উদ্যোগটি পরিচালিত হচ্ছে।
পবিত্র রমজান মাসে সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৌদি আরবের মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের বাতাসে কফি ও ঐতিহ্যবাহী নানা ধরনের মসলার সুগ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে।
পবিত্র এই মসজিদটিতে প্রতিদিন হাজার হাজার ওমরাহ পালনকারী ও মুসল্লিরা ইফতার করতে জড়ো হন। তাদের কাছে এই কফি কেবল একটি পানীয়ের চেয়েও বেশি কিছু হয়ে উঠেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক গালফ নিউজ জানায়, রমজান মাসে ইফতারে প্রতিদিন মসজিদ প্রাঙ্গণজুড়ে ১২ হাজার প্যাকেট খাবারের সঙ্গে ৪০০ লিটার অ্যারাবিক কফি পরিবেশন করা হচ্ছে।
ঐতিহ্যগতভাবে খেজুরের সঙ্গে ছোট কাপে পরিবেশিত এই কফি ইফতারের টেবিলে মুসল্লিদের প্রিয় পানীয়তে পরিণত হয়েছে।
ইউনিফর্ম পড়া ৭৩ জন তরুণ সৌদি স্বেচ্ছাসেবকের একটি দল খাবার ও কফি বিতরণের করে থাকেন।
আল হুদাইবিয়া অ্যাসোসিয়েশন ফর হিউম্যানিটেরিয়ান সার্ভিসেসের নেতৃত্বে এই উদ্যোগটি পরিচালিত হচ্ছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।