
বিডিজেন ডেস্ক
ওমানে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গতকাল বুধবার সরকারি সংস্থাটি জানায়, গ্রীষ্মমন্ডলীয় নিম্নচাপের সঙ্গে যুক্ত মেঘের গঠন এবং প্রসারের কারণে বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।এর প্রভাব মূলত উত্তর আল বাতিনা, মাস্কাট, দক্ষিণ আল বাতিনা, দক্ষিণ আল শার্কিয়া, আল উস্তা, আল দাখিলিয়া, উত্তর আল শার্কিয়া এবং আল দাহিরাহ ও আল বুরাইমির পার্বত্য অঞ্চলে পড়বে। এসব অঞ্চলে ২০ থেকে ৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত হতে বৃষ্টি হতে পারে।সেইসঙ্গে শিলাবৃষ্টি এবং আকস্মিক বন্যা হতে পারে।
কুয়েতের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ বজ্রবৃষ্টির সময় সতর্কতা অবলম্বন এবং আকস্মিক বন্যায় চলাচল না করার পরামর্শ দিয়েছে।
এদিকে গত ১৪ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ওমানে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ আল শারকিয়াহ গভর্নরেটের সুরের উইলিয়াত্তে। সেখানে তিন দিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২১৫ মিলিমিটার।
ওমানের কর্তৃপক্ষ গত মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে।
ওমানে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গতকাল বুধবার সরকারি সংস্থাটি জানায়, গ্রীষ্মমন্ডলীয় নিম্নচাপের সঙ্গে যুক্ত মেঘের গঠন এবং প্রসারের কারণে বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।এর প্রভাব মূলত উত্তর আল বাতিনা, মাস্কাট, দক্ষিণ আল বাতিনা, দক্ষিণ আল শার্কিয়া, আল উস্তা, আল দাখিলিয়া, উত্তর আল শার্কিয়া এবং আল দাহিরাহ ও আল বুরাইমির পার্বত্য অঞ্চলে পড়বে। এসব অঞ্চলে ২০ থেকে ৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত হতে বৃষ্টি হতে পারে।সেইসঙ্গে শিলাবৃষ্টি এবং আকস্মিক বন্যা হতে পারে।
কুয়েতের সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ বজ্রবৃষ্টির সময় সতর্কতা অবলম্বন এবং আকস্মিক বন্যায় চলাচল না করার পরামর্শ দিয়েছে।
এদিকে গত ১৪ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ওমানে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ আল শারকিয়াহ গভর্নরেটের সুরের উইলিয়াত্তে। সেখানে তিন দিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২১৫ মিলিমিটার।
ওমানের কর্তৃপক্ষ গত মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।