
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে চলতি বছরের প্রথম নয় মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯৯ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আল আনবার প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে একটি নতুন ট্রাফিক আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। বেপরোয়া গাড়ি চালানো রোধ করতে এবং সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে এতে মোটা অঙ্কের জরিমানা আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। কুয়েতে বর্তমান ট্রাফিক আইনটি ১৯৭৬ সালে প্রণীত হয়।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত সপ্তাহে দেশটিতে ৪৪ হাজারের বেশি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এরইমধ্যে কুয়েতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের ধরতে রাস্তায় ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
কুয়েত সরকার জানায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সর্বশেষ প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা ট্রাফিক ব্যবস্থা সংস্কার আগ্রহী।
কুয়েতের ট্রাফিক ও অপারেশন সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি মেজর জেনারেল ইউসুফ আল-খুদ্দা জানান, কুয়েতে প্রতিদিন প্রায় ৩০০টি সড়ক দুর্ঘটনা হয়। এরমধ্যে ৯০ শতাংশ গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনের ব্যবহার, বেপরোয়া এবং অত্যধিক গতির কারণে হয়।

কুয়েতে চলতি বছরের প্রথম নয় মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯৯ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আল আনবার প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে একটি নতুন ট্রাফিক আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। বেপরোয়া গাড়ি চালানো রোধ করতে এবং সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে এতে মোটা অঙ্কের জরিমানা আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। কুয়েতে বর্তমান ট্রাফিক আইনটি ১৯৭৬ সালে প্রণীত হয়।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত সপ্তাহে দেশটিতে ৪৪ হাজারের বেশি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এরইমধ্যে কুয়েতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের ধরতে রাস্তায় ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
কুয়েত সরকার জানায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সর্বশেষ প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা ট্রাফিক ব্যবস্থা সংস্কার আগ্রহী।
কুয়েতের ট্রাফিক ও অপারেশন সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি মেজর জেনারেল ইউসুফ আল-খুদ্দা জানান, কুয়েতে প্রতিদিন প্রায় ৩০০টি সড়ক দুর্ঘটনা হয়। এরমধ্যে ৯০ শতাংশ গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনের ব্যবহার, বেপরোয়া এবং অত্যধিক গতির কারণে হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।