
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে মদিনায় চালু হলো মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। সংশ্লিষ্টরা বলছে, স্বাস্থ্য পরিষেবার মান উন্নত করতে এই সার্ভিসটি চালু করা হয়েছে ।
আজ শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
تدشين نموذج الخدمة الإسعافية الجديد في المدينة المنورة..
— قناة الإخبارية (@alekhbariyatv) December 19, 2024
مساعد مدير عمليات الهلال الأحمر في المدينة عمر بخاري: خدمة "الدراجات النارية" تتميز بالسرعة في أوقات الازدحام، ومزودة بأحدث الأجهزة الطبية#النشرة_الأولى | #الإخبارية pic.twitter.com/iEowU2hAOw
এতে বলা হয়, সৌদি রেড ক্রিসেন্টের মদিনা শাখার পরিচালক ডা. আহমেদ বিন আলী আল জাহরানির ও মদিনা অঞ্চলের গভর্নর প্রিন্স সালমান বিন সুলতান বিন আব্দুলাজিজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সার্ভিসটির উদ্বোধন করেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, যানজট যেন দ্রুত পাড়ি দেওয়া যায় সে জন্য মোটরসাইকেলগুলোকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। মোটরসাইকেল পরিচালনাকারী সমস্ত কর্মী উচ্চ প্রশিক্ষিত। তারা পেশাদার এবং উন্নত চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত।

সৌদি আরবে মদিনায় চালু হলো মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। সংশ্লিষ্টরা বলছে, স্বাস্থ্য পরিষেবার মান উন্নত করতে এই সার্ভিসটি চালু করা হয়েছে ।
আজ শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
تدشين نموذج الخدمة الإسعافية الجديد في المدينة المنورة..
— قناة الإخبارية (@alekhbariyatv) December 19, 2024
مساعد مدير عمليات الهلال الأحمر في المدينة عمر بخاري: خدمة "الدراجات النارية" تتميز بالسرعة في أوقات الازدحام، ومزودة بأحدث الأجهزة الطبية#النشرة_الأولى | #الإخبارية pic.twitter.com/iEowU2hAOw
এতে বলা হয়, সৌদি রেড ক্রিসেন্টের মদিনা শাখার পরিচালক ডা. আহমেদ বিন আলী আল জাহরানির ও মদিনা অঞ্চলের গভর্নর প্রিন্স সালমান বিন সুলতান বিন আব্দুলাজিজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সার্ভিসটির উদ্বোধন করেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, যানজট যেন দ্রুত পাড়ি দেওয়া যায় সে জন্য মোটরসাইকেলগুলোকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। মোটরসাইকেল পরিচালনাকারী সমস্ত কর্মী উচ্চ প্রশিক্ষিত। তারা পেশাদার এবং উন্নত চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।