
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে আগামীকাল রোববার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। গতকাল শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম)।
এনসিএমের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে কিছু এলাকায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে প্রবল বাতাস হতে পারে। সেইসঙ্গে কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিও হতে পারে এবং সমুদ্র উত্তাল থাকতে পারে।
ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে এমন এলাকাগুলো হলো-তাবুক, আল জউফ, মদিনা, মক্কা, হেল, আল কাসিম, রিয়াদ, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, আল বাহা, আসির এবং জাজান। রিয়াদ এবং আল বাহায় শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া আসির এবং জাজানে শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের হতে পারে।
সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি শহরে কয়েক দিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এ বৃষ্টিতে বিভিন্ন অঞ্চলের পথঘাট তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে বন্যা। কর্তৃপক্ষ সৌদির বাসিন্দাদের আনওয়া অ্যাপ অথবা এনসিএমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চ্যানেলগুলো থেকে সর্বশেষ আবহাওয়ার তথ্য জেনে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে আগামীকাল রোববার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। গতকাল শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম)।
এনসিএমের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে কিছু এলাকায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে প্রবল বাতাস হতে পারে। সেইসঙ্গে কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিও হতে পারে এবং সমুদ্র উত্তাল থাকতে পারে।
ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে এমন এলাকাগুলো হলো-তাবুক, আল জউফ, মদিনা, মক্কা, হেল, আল কাসিম, রিয়াদ, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ, আল বাহা, আসির এবং জাজান। রিয়াদ এবং আল বাহায় শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া আসির এবং জাজানে শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের হতে পারে।
সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি শহরে কয়েক দিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এ বৃষ্টিতে বিভিন্ন অঞ্চলের পথঘাট তলিয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে বন্যা। কর্তৃপক্ষ সৌদির বাসিন্দাদের আনওয়া অ্যাপ অথবা এনসিএমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চ্যানেলগুলো থেকে সর্বশেষ আবহাওয়ার তথ্য জেনে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।