
বিডিজেন ডেস্ক

পবিত্র ওমরাহ পালন করতে যাওয়া মুসল্লিদের নির্দিষ্ট কিছু জিনিস বহন না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বুধবার এ সম্পর্কিত একটি নির্দেশনা জারি করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ওমরাহযাত্রীরা কেউ লেজার, আতশবাজি, নকল মুদ্রা এবং অনিবন্ধিত ওষুধ নিয়ে সৌদিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
ওমরাহযাত্রীদের উদ্দেশে মন্ত্রণালয়টির পক্ষ থেকে বলা হয়, সৌদিতে প্রবেশের আগে নিশ্চিত করুন আপনি এসব নিষিদ্ধ জিনিস বহন করছেন না।
ওমরাহযাত্রীদের কি কি জিনিস নেওয়া নিষিদ্ধ তার বিস্তারিত মুসল্লিদের এই ওয়েবসাইট থেকে জেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সৌদির যাকাত, কর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষ।
হজ বছরে মাত্র একবার করা গেলেও; ওমরাহ করা যায় বছরের যে কোনো সময়। তবে পবিত্র রমজান মাস আসলে ওমরাহকারীর সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পায়।
সৌদির বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও অন্যান্য দেশ থেকে রমজানে লাখ লাখ মানুষ পবিত্র মক্কা নগরীতে যান।

পবিত্র ওমরাহ পালন করতে যাওয়া মুসল্লিদের নির্দিষ্ট কিছু জিনিস বহন না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বুধবার এ সম্পর্কিত একটি নির্দেশনা জারি করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ওমরাহযাত্রীরা কেউ লেজার, আতশবাজি, নকল মুদ্রা এবং অনিবন্ধিত ওষুধ নিয়ে সৌদিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
ওমরাহযাত্রীদের উদ্দেশে মন্ত্রণালয়টির পক্ষ থেকে বলা হয়, সৌদিতে প্রবেশের আগে নিশ্চিত করুন আপনি এসব নিষিদ্ধ জিনিস বহন করছেন না।
ওমরাহযাত্রীদের কি কি জিনিস নেওয়া নিষিদ্ধ তার বিস্তারিত মুসল্লিদের এই ওয়েবসাইট থেকে জেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সৌদির যাকাত, কর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষ।
হজ বছরে মাত্র একবার করা গেলেও; ওমরাহ করা যায় বছরের যে কোনো সময়। তবে পবিত্র রমজান মাস আসলে ওমরাহকারীর সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পায়।
সৌদির বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও অন্যান্য দেশ থেকে রমজানে লাখ লাখ মানুষ পবিত্র মক্কা নগরীতে যান।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।