
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে বেড়েই চলছে তালাকের ঘটনা। দেশটিতে গত বছর ৮৪ হাজার ৪৪২টি তালাকের ঘটনা ঘটে। এই হিসেবে কুয়েতে গড়ে প্রতিদিন তালাক হচ্ছে ২৩১টি।
এ অবস্থায় দেশটির এ সংক্রান্ত আইন সংস্কারের দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে সরকারকে ভরণপোষণ এবং শিশুর অভিভাবকত্ব সম্পর্কিত মূল আইনগুলোকে সংশোধনে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে আদালতের তত্ত্বাবধানে পরিদর্শন ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা এবং রায় মেনে চলতে ব্যর্থ হলে পিতামাতার জন্য কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা।
এছাড়া আইনজীবীরা কুয়েতে পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য বৈধ বিবাহের বয়স ১৮ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, কম বয়সে বিয়ে যুবক-যুবতী বিশেষ করে মেয়েদের-শিক্ষা এবং উপযুক্ত অংশীদার বেছে নেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।
কুয়েতের আইনজীবী ফাওয়াজ আল শাল্লাহি আইনগুলোকে আধুনিকীকরণের জন্য সরকারের চলমান প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি কেবল একটি আইনি সংস্কার নয়। এটি একটি সামাজিক প্রয়োজনীয়তা।
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

কুয়েতে বেড়েই চলছে তালাকের ঘটনা। দেশটিতে গত বছর ৮৪ হাজার ৪৪২টি তালাকের ঘটনা ঘটে। এই হিসেবে কুয়েতে গড়ে প্রতিদিন তালাক হচ্ছে ২৩১টি।
এ অবস্থায় দেশটির এ সংক্রান্ত আইন সংস্কারের দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সমস্যা সমাধানে সরকারকে ভরণপোষণ এবং শিশুর অভিভাবকত্ব সম্পর্কিত মূল আইনগুলোকে সংশোধনে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে আদালতের তত্ত্বাবধানে পরিদর্শন ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা এবং রায় মেনে চলতে ব্যর্থ হলে পিতামাতার জন্য কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা।
এছাড়া আইনজীবীরা কুয়েতে পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য বৈধ বিবাহের বয়স ১৮ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, কম বয়সে বিয়ে যুবক-যুবতী বিশেষ করে মেয়েদের-শিক্ষা এবং উপযুক্ত অংশীদার বেছে নেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।
কুয়েতের আইনজীবী ফাওয়াজ আল শাল্লাহি আইনগুলোকে আধুনিকীকরণের জন্য সরকারের চলমান প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি কেবল একটি আইনি সংস্কার নয়। এটি একটি সামাজিক প্রয়োজনীয়তা।
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।