
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে শুধু নারীদের খেলা দেখানোর একটি বিশেষ স্পোর্টস চ্যানেল চালু হয়েছে। দেশটির নারী প্রিমিয়ার লীগ ফুটবলের ম্যাচ ও অন্যান্য ইভেন্ট এতে দেখানো হবে। এটি ২৪ ঘণ্টা চলবে এবং পুরো সময় নারীদের বিভিন্ন খেলা প্রচারিত হবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সৌদি আরবে চ্যানেলটি চালু করেছে অল ওমেন্স স্পোর্টস নেটওয়ার্ক (এডব্লিউএসএন)। সৌদির ফুটবল ফেডারেশন এবং জাতীয় ব্রডকাস্টার সৌদি স্পোর্টস কোম্পানির সঙ্গে পার্টনারশিপ ভিত্তিতে চ্যানেলটির যাত্রা শুরু হয়েছে।
‘এসএসজি এডব্লিউএসএন’ নামের এ চ্যানেলটির সম্প্রচার আজ শুক্রবার থেকে এমবিসি শহীদ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শুরু হয়েছে।
ভিশন ২০৩০ সামনে রেখে সৌদিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। দেশটির নারীদের আগের যে কোনো বিষয় থেকে এখন বেশি স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে।
এডব্লিউএসএনের প্রধান নির্বাহী ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা জর্জ চাং বলেছেন, ‘আমরা সৌদি নারীদের খেলাধুলাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরছি। প্রচলিত বাধা ভেঙে আন্তর্জাতিক লীগ ও প্রতিভাকে প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।’

সৌদি আরবে শুধু নারীদের খেলা দেখানোর একটি বিশেষ স্পোর্টস চ্যানেল চালু হয়েছে। দেশটির নারী প্রিমিয়ার লীগ ফুটবলের ম্যাচ ও অন্যান্য ইভেন্ট এতে দেখানো হবে। এটি ২৪ ঘণ্টা চলবে এবং পুরো সময় নারীদের বিভিন্ন খেলা প্রচারিত হবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সৌদি আরবে চ্যানেলটি চালু করেছে অল ওমেন্স স্পোর্টস নেটওয়ার্ক (এডব্লিউএসএন)। সৌদির ফুটবল ফেডারেশন এবং জাতীয় ব্রডকাস্টার সৌদি স্পোর্টস কোম্পানির সঙ্গে পার্টনারশিপ ভিত্তিতে চ্যানেলটির যাত্রা শুরু হয়েছে।
‘এসএসজি এডব্লিউএসএন’ নামের এ চ্যানেলটির সম্প্রচার আজ শুক্রবার থেকে এমবিসি শহীদ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শুরু হয়েছে।
ভিশন ২০৩০ সামনে রেখে সৌদিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। দেশটির নারীদের আগের যে কোনো বিষয় থেকে এখন বেশি স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে।
এডব্লিউএসএনের প্রধান নির্বাহী ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা জর্জ চাং বলেছেন, ‘আমরা সৌদি নারীদের খেলাধুলাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরছি। প্রচলিত বাধা ভেঙে আন্তর্জাতিক লীগ ও প্রতিভাকে প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।’
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।