
বিডিজেন ডেস্ক

গত কয়েক বছরের মতো এবারও সৌদি আরবের মরুভূমিতে দেখা গেল তুষার। সম্প্রতি দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় আল জাউফে দেখা যায়, তুষারে ঢেকে গেছে মাটি। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আল জাউফের মরুভূমি গত শুক্রবার পরিণত হয়েছে ‘উইন্টার ওয়ান্ডারল্যান্ডে’। দেখলে মনে হবে ইউরোপের কোনো দেশ। অঞ্চলটি অসাধারণ বসন্তের ফুলের জন্য বিখ্যাত, সেখানে এখন অস্বাভাবিক শীতকাল বিরাজ করছে।
এর আগে ওই এলাকা ও আশপাশে কয়েকদিন বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সাকাকা সিটি ও দুমাট আল জান্দালে।
গত বুধবার থেকে সৌদি আরবের উত্তরাঞ্চলের এলাকা আল জাউফে ভারী বৃষ্টি হয়। এরপর এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, এই দৃশ্য অনেকেই ক্যামেরাবন্দী করেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করেন ভিডিও। তাতে দেখা যায়, রাস্তা ও এর পাশে তুষার পড়ে আছে। মুহূর্তেই এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও।
সৌদি আরব সাধারণত গরমপ্রধান দেশ। তবে ইদানিং বৃষ্টি বেড়েছে। মরুভূমিতে দেখা যাচ্ছে সবুজ ঘাস।
কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরবের আবহাওয়া ভিন্নরকম আচরণ করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই এমনটি হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত কয়েক বছরের মতো এবারও সৌদি আরবের মরুভূমিতে দেখা গেল তুষার। সম্প্রতি দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় আল জাউফে দেখা যায়, তুষারে ঢেকে গেছে মাটি। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আল জাউফের মরুভূমি গত শুক্রবার পরিণত হয়েছে ‘উইন্টার ওয়ান্ডারল্যান্ডে’। দেখলে মনে হবে ইউরোপের কোনো দেশ। অঞ্চলটি অসাধারণ বসন্তের ফুলের জন্য বিখ্যাত, সেখানে এখন অস্বাভাবিক শীতকাল বিরাজ করছে।
এর আগে ওই এলাকা ও আশপাশে কয়েকদিন বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সাকাকা সিটি ও দুমাট আল জান্দালে।
গত বুধবার থেকে সৌদি আরবের উত্তরাঞ্চলের এলাকা আল জাউফে ভারী বৃষ্টি হয়। এরপর এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, এই দৃশ্য অনেকেই ক্যামেরাবন্দী করেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করেন ভিডিও। তাতে দেখা যায়, রাস্তা ও এর পাশে তুষার পড়ে আছে। মুহূর্তেই এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও।
সৌদি আরব সাধারণত গরমপ্রধান দেশ। তবে ইদানিং বৃষ্টি বেড়েছে। মরুভূমিতে দেখা যাচ্ছে সবুজ ঘাস।
কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরবের আবহাওয়া ভিন্নরকম আচরণ করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই এমনটি হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।