

বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকাকে দেওয়া এক কঠোর সতর্কবার্তায় রাশিয়া বলেছে , ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার হুমকি একেবারেই অগ্রহণীয়। এ ছাড়া, ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তথাকথিত বিধ্বংসী বাহ্যিক হস্তক্ষেপের তীব্র সমালোচনাও করেছে দেশটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
এদিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বিক্ষোভকারীদের তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং বিস্তারিত কিছু না জানিয়েই প্রতিশ্রুতি দেন যে, সাহায্য আসছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে বলেন, ‘‘ইরানি দেশপ্রেমিকেরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান। নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলোর দখল নিন!!! খুনি ও অত্যাচারীদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদের বড় মূল্য চুকাতে হবে। বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচার হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য আসছে।’’
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ বলেছেন , আমেরিকা আক্রমণ করলে তেহরান পাল্টা আঘাত হানবে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ওপর যেকোনো ধরনের হামলার আমরা শক্তিশালী জবাব দেব এবং কাউকে আমাদের হুমকি দেওয়ার অনুমতি দেব না। এই অঞ্চলের সমস্ত আমেরিকান ঘাঁটি এবং যেসব দেশ ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ডে সুবিধা করে দেবে, তারা আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে। আমরা যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি তার ফলে গত যুদ্ধের তুলনায় আমাদের প্রতিরক্ষা পরিস্থিতি বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।’’
আমেরিকাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি’ মঙ্গলবার জানিয়েছে যে, ইরানের ৩১টি প্রদেশের সব কটিতেই ৬০০-র বেশি বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভে প্রায় ১২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরানি মুদ্রা রিয়ালের দরপতন ইরানে ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। মাংস, চাল এবং অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। দেশটি বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে।
ডিসেম্বরের শেষের দিকে তেহরানের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে এই বিক্ষোভ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তা ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে অর্থনৈতিক ইস্যুতে বিক্ষোভ শুরু হলেও, আন্দোলনকারীরা দ্রুত সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করে।

আমেরিকাকে দেওয়া এক কঠোর সতর্কবার্তায় রাশিয়া বলেছে , ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার হুমকি একেবারেই অগ্রহণীয়। এ ছাড়া, ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তথাকথিত বিধ্বংসী বাহ্যিক হস্তক্ষেপের তীব্র সমালোচনাও করেছে দেশটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
এদিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বিক্ষোভকারীদের তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং বিস্তারিত কিছু না জানিয়েই প্রতিশ্রুতি দেন যে, সাহায্য আসছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে বলেন, ‘‘ইরানি দেশপ্রেমিকেরা, বিক্ষোভ চালিয়ে যান। নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলোর দখল নিন!!! খুনি ও অত্যাচারীদের নাম সংরক্ষণ করুন। তাদের বড় মূল্য চুকাতে হবে। বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচার হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। সাহায্য আসছে।’’
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ বলেছেন , আমেরিকা আক্রমণ করলে তেহরান পাল্টা আঘাত হানবে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ওপর যেকোনো ধরনের হামলার আমরা শক্তিশালী জবাব দেব এবং কাউকে আমাদের হুমকি দেওয়ার অনুমতি দেব না। এই অঞ্চলের সমস্ত আমেরিকান ঘাঁটি এবং যেসব দেশ ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ডে সুবিধা করে দেবে, তারা আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে। আমরা যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি তার ফলে গত যুদ্ধের তুলনায় আমাদের প্রতিরক্ষা পরিস্থিতি বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।’’
আমেরিকাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি’ মঙ্গলবার জানিয়েছে যে, ইরানের ৩১টি প্রদেশের সব কটিতেই ৬০০-র বেশি বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভে প্রায় ১২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরানি মুদ্রা রিয়ালের দরপতন ইরানে ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। মাংস, চাল এবং অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। দেশটি বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে।
ডিসেম্বরের শেষের দিকে তেহরানের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে এই বিক্ষোভ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তা ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে অর্থনৈতিক ইস্যুতে বিক্ষোভ শুরু হলেও, আন্দোলনকারীরা দ্রুত সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।