
বিডিজেন ডেস্ক

কানাডার ওন্টারিও প্রদেশের টরন্টোয় আনন্দ-আড্ডা, গান, কবিতা আর স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে কবি সাহিদুল আলম টুকুর ৬০তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) টরন্টোর ৩০০০ ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউয়ের মাল্টিকালচারাল ফিল্ম স্ক্রিনিং সেন্টারে কবির বন্ধুদের উদ্যোগে এই আনন্দ–আড্ডার আয়োজন করা হয়।
কবি সাহিদুল আলম টুকুর ৬০তম জন্মবার্ষিকীর আনন্দ–আড্ডায় তার কবিতা গ্রন্থ থেকে আবৃত্তি করেন দিলারা নাহার বাবু, ফারিয়া সাহেলী ও মানবী মৃধা। সংগীত পরিবেশন করেন শিরীন চৌধুরী ও শামীম আমিনুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সাহিদুল আলম টুকু সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন এনায়েত করিম বাবুল, শওগাত আলী সাগর, আতোয়ার রহমান, শেখ শাহনওয়াজ, রাজকুমার বিশ্বাস, বিদ্যুৎ সরকার, আহমেদ হোসেন, দেলওয়ার এলাহী, মাসুম রহমান, মৈত্রেয়ী দেবী, রেজিনা রহমান, সুবল সাহা, মাহমুদুল ইসলাম সেলিম, শারমিন শর্মী, অভী শাহনওয়াজ, তানভীর শাহনওয়াজ, সোলায়মান তালুত রবিন ও হিমাদ্রী রয়।
কবি সাহিদুল আলম টুকু তার বক্তব্যে জন্মদিনে তাকে সম্মান দেখানোয় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সম্পর্কে তার বন্ধুদের লেখা নিয়ে ‘সুহৃদষাট’ নামে এক প্রকাশনার মোড়ক উম্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনিস রফিক।
উল্লেখ্য, কবি সাহিদুল আলম টুকু ১৯৬৫ সালের ২৭ নভেম্বর ফরিদপুরের কাদিরদীতে জন্মগ্রহণ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে পরবর্তীতে তিনি ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও কানাডার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশে ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র’, গণসাহায্য সংস্থা ও বিশ্বব্যাংকে কাজ করেছেন। এ ছাড়া, তিনি বাংলাদেশ, আমেরিকা ও কানাডার বিভিন্ন সংবাদপত্রে সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে টরন্টোতে বসবাস করছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালে বাংলাদেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’–এর সাথে যুক্ত ছিলেন। কবিতা অন্তপ্রাণ টুকুর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ তিনটি, ‘ফণার মুখোশ’, ‘মৌন অন্ধকার’ ও ‘কাকতলীয় স্পর্শ’। বিজ্ঞপ্তি

কানাডার ওন্টারিও প্রদেশের টরন্টোয় আনন্দ-আড্ডা, গান, কবিতা আর স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে কবি সাহিদুল আলম টুকুর ৬০তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
গত শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) টরন্টোর ৩০০০ ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউয়ের মাল্টিকালচারাল ফিল্ম স্ক্রিনিং সেন্টারে কবির বন্ধুদের উদ্যোগে এই আনন্দ–আড্ডার আয়োজন করা হয়।
কবি সাহিদুল আলম টুকুর ৬০তম জন্মবার্ষিকীর আনন্দ–আড্ডায় তার কবিতা গ্রন্থ থেকে আবৃত্তি করেন দিলারা নাহার বাবু, ফারিয়া সাহেলী ও মানবী মৃধা। সংগীত পরিবেশন করেন শিরীন চৌধুরী ও শামীম আমিনুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সাহিদুল আলম টুকু সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন এনায়েত করিম বাবুল, শওগাত আলী সাগর, আতোয়ার রহমান, শেখ শাহনওয়াজ, রাজকুমার বিশ্বাস, বিদ্যুৎ সরকার, আহমেদ হোসেন, দেলওয়ার এলাহী, মাসুম রহমান, মৈত্রেয়ী দেবী, রেজিনা রহমান, সুবল সাহা, মাহমুদুল ইসলাম সেলিম, শারমিন শর্মী, অভী শাহনওয়াজ, তানভীর শাহনওয়াজ, সোলায়মান তালুত রবিন ও হিমাদ্রী রয়।
কবি সাহিদুল আলম টুকু তার বক্তব্যে জন্মদিনে তাকে সম্মান দেখানোয় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সম্পর্কে তার বন্ধুদের লেখা নিয়ে ‘সুহৃদষাট’ নামে এক প্রকাশনার মোড়ক উম্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনিস রফিক।
উল্লেখ্য, কবি সাহিদুল আলম টুকু ১৯৬৫ সালের ২৭ নভেম্বর ফরিদপুরের কাদিরদীতে জন্মগ্রহণ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে পরবর্তীতে তিনি ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও কানাডার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশে ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র’, গণসাহায্য সংস্থা ও বিশ্বব্যাংকে কাজ করেছেন। এ ছাড়া, তিনি বাংলাদেশ, আমেরিকা ও কানাডার বিভিন্ন সংবাদপত্রে সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে টরন্টোতে বসবাস করছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালে বাংলাদেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’–এর সাথে যুক্ত ছিলেন। কবিতা অন্তপ্রাণ টুকুর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ তিনটি, ‘ফণার মুখোশ’, ‘মৌন অন্ধকার’ ও ‘কাকতলীয় স্পর্শ’। বিজ্ঞপ্তি
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।