
বিডিজেন ডেস্ক

১৪৪৬ হিজরির হজ পালন করতে মক্কায় সমবেত হয়েছেন বিশ্বের কয়েক লাখ মুসলমান। কাল বুধবার (৪ জুন) তারা ইহরাম বেঁধে সারা দিন মিনায় অবস্থান করবেন। এ জন্য আজ মঙ্গলবার থেকেই অনেকে মিনায় যাওয়া শুরু করেছেন।
মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ১৪৪৬ হিজরির হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। পরদিন বৃহস্পতিবার হজের মূল কার্যক্রম হিসেবে মুসল্লিরা আরাফাহ ময়দানে অবস্থান করবেন।
হজের অংশ হিসেবে ধারাবাহিকভাবে মিনা, আরাফাহ, মুজদালিফা ও মক্কায় অবস্থান করবেন হাজিরা। এরপর সায়ি, তাওয়াফ ও দমে শোকর আদায়ের মাধ্যমে ৫ দিনব্যাপী হজের কার্যক্রম শেষ হবে।
তাই হাজিদের সবার জন্য আলাদা আলাদা তাঁবু স্থাপন করেছে সৌদি আরবের হজ কর্তৃপক্ষ। হাজিরা সেখানে তালবিয়া, জিকির, তিলাওয়াত ও দোয়ায় মগ্ন থেকে সারা দিন অবস্থান করবেন।
এরপর বৃহস্পতিবার (৯ জিলহজ) ফজরের নামাজ পড়ে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে যাবেন।
সেখানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাজিদের ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হবে পুরো ময়দান। এরপর তিলাওয়াত, জিকির, নামাজ, খুতবা শোনাসহ ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে হজের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

১৪৪৬ হিজরির হজ পালন করতে মক্কায় সমবেত হয়েছেন বিশ্বের কয়েক লাখ মুসলমান। কাল বুধবার (৪ জুন) তারা ইহরাম বেঁধে সারা দিন মিনায় অবস্থান করবেন। এ জন্য আজ মঙ্গলবার থেকেই অনেকে মিনায় যাওয়া শুরু করেছেন।
মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ১৪৪৬ হিজরির হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। পরদিন বৃহস্পতিবার হজের মূল কার্যক্রম হিসেবে মুসল্লিরা আরাফাহ ময়দানে অবস্থান করবেন।
হজের অংশ হিসেবে ধারাবাহিকভাবে মিনা, আরাফাহ, মুজদালিফা ও মক্কায় অবস্থান করবেন হাজিরা। এরপর সায়ি, তাওয়াফ ও দমে শোকর আদায়ের মাধ্যমে ৫ দিনব্যাপী হজের কার্যক্রম শেষ হবে।
তাই হাজিদের সবার জন্য আলাদা আলাদা তাঁবু স্থাপন করেছে সৌদি আরবের হজ কর্তৃপক্ষ। হাজিরা সেখানে তালবিয়া, জিকির, তিলাওয়াত ও দোয়ায় মগ্ন থেকে সারা দিন অবস্থান করবেন।
এরপর বৃহস্পতিবার (৯ জিলহজ) ফজরের নামাজ পড়ে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে যাবেন।
সেখানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাজিদের ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হবে পুরো ময়দান। এরপর তিলাওয়াত, জিকির, নামাজ, খুতবা শোনাসহ ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে হজের মূল কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।