
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকার নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এর ফলে আমেরিকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত জমা দিতে হতে পারে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারী কোনো নাগরিক যদি বি-১/বি-২ (ব্যবসা বা পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন, তবে তাকে ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড দিতে হবে। ভিসা ইন্টারভিউয়ের সময় আবেদনকারীর ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করা হবে।
এ ছাড়া আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’-এর মাধ্যমে বন্ডের শর্তাবলীতে সম্মতি জানাতে হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় মূলত আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ৩৮টি দেশ এই তালিকায় রয়েছে। নতুন করে যুক্ত হওয়া দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই নীতি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এর আগে গত আগস্টে একটি প্রাথমিক তালিকা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রোগ্রাম) এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
মার্কিন সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান অর্থাৎ ভিসা ওভারস্টে রোধ করতেই এই বন্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
গত জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিবাসন বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।
এই নীতির বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ আইনি প্রক্রিয়া ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, আমেরিকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করাই এসব কঠোর নীতির মূল উদ্দেশ্য।

আমেরিকার নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এর ফলে আমেরিকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত জমা দিতে হতে পারে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারী কোনো নাগরিক যদি বি-১/বি-২ (ব্যবসা বা পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন, তবে তাকে ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড দিতে হবে। ভিসা ইন্টারভিউয়ের সময় আবেদনকারীর ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করা হবে।
এ ছাড়া আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’-এর মাধ্যমে বন্ডের শর্তাবলীতে সম্মতি জানাতে হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় মূলত আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ৩৮টি দেশ এই তালিকায় রয়েছে। নতুন করে যুক্ত হওয়া দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই নীতি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এর আগে গত আগস্টে একটি প্রাথমিক তালিকা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রোগ্রাম) এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
মার্কিন সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান অর্থাৎ ভিসা ওভারস্টে রোধ করতেই এই বন্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
গত জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিবাসন বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।
এই নীতির বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ আইনি প্রক্রিয়া ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, আমেরিকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করাই এসব কঠোর নীতির মূল উদ্দেশ্য।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।