
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মীদের অবসরের আবেদন বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থায় সংকট দেখা দিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়েতের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শিক্ষা,তত্ত্বাবধায়ক এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করা প্রায় আড়াই হাজার কর্মী অবসরের জন্য আবেদন করেছেন।
এত সংখ্যক অবসরের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে চাপে আছে কুয়েত সরকারও। এসব অবসরের আবেদন শুধুমাত্র প্রশাসনিক কর্মীদের বেশি কাজের বোঝা তৈরি করছে না বরং শূন্যপদগুলো পূরণের জন্যও তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, অবসর গ্রহণ প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে এবং অবসর গ্রহণকারীরা যাতে সময়মতো তাদের সুবিধা পান তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক কর্মীরা সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন। নথিপত্রের সুবিন্যস্তকরণ এবং আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদারসহ অবসর গ্রহণের প্রক্রিয়াকরণে দক্ষতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলছে।
সেইসঙ্গে কর্মীদের ঘাটতি মেটাতে নিয়োগের প্রচেষ্টাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য কুয়েত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কিছু সুপারিশ দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে নিয়োগ ত্বরান্বিত করা, প্রার্থীদের পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন পরিচালনা করা এবং নতুন নিয়োগের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই পদগুলো অবিলম্বে পূরণ করতে ব্যর্থ হলে শিক্ষা পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

কুয়েতে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মীদের অবসরের আবেদন বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থায় সংকট দেখা দিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়েতের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শিক্ষা,তত্ত্বাবধায়ক এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করা প্রায় আড়াই হাজার কর্মী অবসরের জন্য আবেদন করেছেন।
এত সংখ্যক অবসরের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে চাপে আছে কুয়েত সরকারও। এসব অবসরের আবেদন শুধুমাত্র প্রশাসনিক কর্মীদের বেশি কাজের বোঝা তৈরি করছে না বরং শূন্যপদগুলো পূরণের জন্যও তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, অবসর গ্রহণ প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে এবং অবসর গ্রহণকারীরা যাতে সময়মতো তাদের সুবিধা পান তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক কর্মীরা সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন। নথিপত্রের সুবিন্যস্তকরণ এবং আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদারসহ অবসর গ্রহণের প্রক্রিয়াকরণে দক্ষতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলছে।
সেইসঙ্গে কর্মীদের ঘাটতি মেটাতে নিয়োগের প্রচেষ্টাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য কুয়েত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কিছু সুপারিশ দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে নিয়োগ ত্বরান্বিত করা, প্রার্থীদের পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন পরিচালনা করা এবং নতুন নিয়োগের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই পদগুলো অবিলম্বে পূরণ করতে ব্যর্থ হলে শিক্ষা পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।