
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) তাপমাত্রা আজ শুক্রবার আরও বাড়বে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে এমনটাই জানিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম)। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) অনুসারে, আজ আকাশ পরিষ্কার থেকে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।
আজ ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার/ঘণ্টা বেগে হালকা থেকে মাঝারি বাতাস বইতে পারে। সতর্ক থাকুন, কারণ আজ দিনের বেলায় ধুলোবালি উড়তে পারে।
এনসিএম পূর্বাভাসে এই সপ্তাহান্তে তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কথাও বলা হয়েছে, কারণ ২৩ ও ২৪ মার্চ যথাক্রমে রোববার ও সোমবার তাপমাত্রা কমার কথা বলা হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) তাপমাত্রা আজ শুক্রবার আরও বাড়বে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে এমনটাই জানিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম)। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) অনুসারে, আজ আকাশ পরিষ্কার থেকে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।
আজ ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার/ঘণ্টা বেগে হালকা থেকে মাঝারি বাতাস বইতে পারে। সতর্ক থাকুন, কারণ আজ দিনের বেলায় ধুলোবালি উড়তে পারে।
এনসিএম পূর্বাভাসে এই সপ্তাহান্তে তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কথাও বলা হয়েছে, কারণ ২৩ ও ২৪ মার্চ যথাক্রমে রোববার ও সোমবার তাপমাত্রা কমার কথা বলা হয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।