
বিডিজেন ডেস্ক

ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তানের জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হাসপাতালসহ জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ আজ বুধবার (৭ মে) জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মরিয়ম বলেন, ‘সব চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হচ্ছে এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষাকর্মীদের নিজ নিজ দায়িত্বে ফেরত আসতে বলা হচ্ছে।’
কাশ্মীরের পহেলগামে হামলা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর পাকিস্তানের কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। ইসলামাবাদ বলছে, এসব হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত ও অর্ধশত আহত হয়েছে। এর জবাবে রাতেই নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।
ভারতের হামলার নিন্দা জানিয়ে মরিয়ম নওয়াজ বলেন, ‘জনগণ পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত হয়তো এটা (হামলা) শুরু করেছে, কিন্তু আমরা এটা শেষ করব।’
চলমান পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী জনগণকে ঘরের ভেতর অবস্থান করার ও অকারণে ভ্রমণ না করতে বলেছেন। সেই সঙ্গে তিনি জনগণকে তথ্যের জন্য শুধু আনুষ্ঠানিক ও নির্ভরযোগ্য উৎসের ওপর ভরসা করার অনুরোধ জানিয়েছেন। হতাহতের কোনো খবর পেলে কাছের হাসপাতাল অথবা উদ্ধার পরিষেবা সংস্থায় জানাতে বলেছেন তিনি।
পাকিস্তান শান্তি চায় জানিয়ে মরিয়ম বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, তবে সেটা সম্মানের সঙ্গে। যদি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে পুরো দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শক্তিতে পরিণত হবে।’

ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পাকিস্তানের জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হাসপাতালসহ জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফ আজ বুধবার (৭ মে) জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মরিয়ম বলেন, ‘সব চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হচ্ছে এবং বেসামরিক প্রতিরক্ষাকর্মীদের নিজ নিজ দায়িত্বে ফেরত আসতে বলা হচ্ছে।’
কাশ্মীরের পহেলগামে হামলা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর পাকিস্তানের কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। ইসলামাবাদ বলছে, এসব হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত ও অর্ধশত আহত হয়েছে। এর জবাবে রাতেই নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।
ভারতের হামলার নিন্দা জানিয়ে মরিয়ম নওয়াজ বলেন, ‘জনগণ পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত হয়তো এটা (হামলা) শুরু করেছে, কিন্তু আমরা এটা শেষ করব।’
চলমান পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী জনগণকে ঘরের ভেতর অবস্থান করার ও অকারণে ভ্রমণ না করতে বলেছেন। সেই সঙ্গে তিনি জনগণকে তথ্যের জন্য শুধু আনুষ্ঠানিক ও নির্ভরযোগ্য উৎসের ওপর ভরসা করার অনুরোধ জানিয়েছেন। হতাহতের কোনো খবর পেলে কাছের হাসপাতাল অথবা উদ্ধার পরিষেবা সংস্থায় জানাতে বলেছেন তিনি।
পাকিস্তান শান্তি চায় জানিয়ে মরিয়ম বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, তবে সেটা সম্মানের সঙ্গে। যদি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে পুরো দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শক্তিতে পরিণত হবে।’
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।