
বিডিজেন ডেস্ক

ইউরোপের দ্বীপ রাষ্ট্র মাল্টা ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধারের পর ১৭ দিনের মধ্যেই ৪৮ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
দেশটির গণমাধ্যম মাল্টা ইনডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক দিনের মধ্যে মাল্টা কর্তৃপক্ষ ৪৪ জন অভিবাসীকে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। ফেরত পাঠানো এসব অভিবাসীদের গত ১২ ডিসেম্বর ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া একটি নৌকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।
দেশটির আর্মড ফোর্স অব মাল্টা জানিয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর সাগরের একটি নৌকা থেকে মোট ৬১ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৫৯ জন ছিলেন বাংলাদেশি এবং অপর দুই জন মিসরের নাগরিক। উদ্ধারের সময় দুজনের অবস্থা ছিল বেশ গুরুতর। হেলিকপ্টারের সাহায্যে তাদেরকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ইউরোপের দ্বীপ রাষ্ট্র মাল্টা ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধারের পর ১৭ দিনের মধ্যেই ৪৮ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
দেশটির গণমাধ্যম মাল্টা ইনডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক দিনের মধ্যে মাল্টা কর্তৃপক্ষ ৪৪ জন অভিবাসীকে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। ফেরত পাঠানো এসব অভিবাসীদের গত ১২ ডিসেম্বর ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া একটি নৌকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।
দেশটির আর্মড ফোর্স অব মাল্টা জানিয়েছে, গত ১২ ডিসেম্বর সাগরের একটি নৌকা থেকে মোট ৬১ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৫৯ জন ছিলেন বাংলাদেশি এবং অপর দুই জন মিসরের নাগরিক। উদ্ধারের সময় দুজনের অবস্থা ছিল বেশ গুরুতর। হেলিকপ্টারের সাহায্যে তাদেরকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।